
বিজেপির সাম্প্রতিক জয় রেকর্ডের দিকে এগিয়ে দিল মোদিকে
বিহার, দিল্লি, আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে জেতার পর বিজেপির ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে দক্ষিণ ভারতের দুটি অ-হিন্দি রাজ্য তামিলনাড়ু ও কেরালায়। এসবই নরেন্দ্র মোদির পক্ষে যাচ্ছে।

বিহার, দিল্লি, আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে জেতার পর বিজেপির ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে দক্ষিণ ভারতের দুটি অ-হিন্দি রাজ্য তামিলনাড়ু ও কেরালায়। এসবই নরেন্দ্র মোদির পক্ষে যাচ্ছে।

কলকাতায় বিজেপির ‘বুলডোজার সংস্কৃতি’ ও হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে তৃণমূলের বিক্ষোভ, নির্বাচনী সহিংসতা বন্ধের দাবি।

বর্তমানে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট শতদ্রু দত্তের দেওয়া এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখছে।

এক দশকের বেশি সময় পর ওয়াহিদ আনাম বানাচ্ছেন ওয়েব ফিল্ম ‘তাজমহল’। সেখানে মুখ্য চরিত্রে নবীন অভিনেতা ফয়জুল ইয়ামিনের সঙ্গে দেখা যাবে পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী সৃজা দত্তকে।

বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগ করতে আবারও আবেদন করেছেন এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম এবং তাঁর স্ত্রী, দুই ছেলে।

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের এবং বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হার নিয়ে শুধু পশ্চিমবঙ্গ বা ভারত নয়, বিশ্বের পত্রপত্রিকায় প্রচুর লেখালেখি হলো, বিশ্লেষণ হলো।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে প্রথম জনসভায় শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসের সমালোচনা করেন।

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানান, প্রস্তাবিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধি সব নাগরিকের জন্য, বিশেষত নারী ও শিশুদের জন্য, আইনের সমান অধিকার নিশ্চিত করবে।

আরজি চিকিৎসক অভয়ার ধর্ষণ-হত্যা মামলায় গাফিলতির জন্য শুভেন্দু অধিকারী তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হবে। রত্না দেবনাথের নির্বাচনী জয়ের পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

খেলাফত মজলিস ভারতের আসাম ও পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে বাংলাভাষী মুসলিমদের বাংলাদেশে পুশ ইনের অভিযোগ তুলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। সীমান্ত হত্যা, অপরাধ দমন, বন্যা ক্ষতিপূরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে দাবি উত্থাপিত হয়েছে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে। সংবিধান সংস্কার ও হত্যাকাণ্ডের বিচারে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

কলকাতা হাইকোর্টে আইনজীবীর পোশাকে হাজির হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক সহিংসতায় প্রতিকার চেয়েছেন। তিনি বলেন, শিশু-নারী-সংখ্যালঘুদের রেয়াত নেই, ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে কলকাতায় অবৈধ কারখানায় বুলডোজার চালিয়ে নতুন সরকার কঠোরতা দেখিয়েছে।

ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশ সীমান্তে বর্বরতা বা নাগরিক হত্যা আর মেনে নেওয়া হবে না। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্তে রাজনীতি বেশি দেখছেন তিনি। বিএসএফের ইতিবাচক ভূমিকা কামনা করেছেন।