সন্ধ্যার বিস্তার
এ পথের অর্ধেক আলোয় অন্ধ কিছু কাক ক্রমে উড়ে যায়, যখন সন্ধ্যা ধীরে পথ থেকে নেমে পথহীনতায় যেতে থাকে তবু কিছু ছেঁটে ফেলা ঝোপঝাড়ে নাগরিক জোনাকিগুলো
এ পথের অর্ধেক আলোয় অন্ধ কিছু কাক ক্রমে উড়ে যায়, যখন সন্ধ্যা ধীরে পথ থেকে নেমে পথহীনতায় যেতে থাকে তবু কিছু ছেঁটে ফেলা ঝোপঝাড়ে নাগরিক জোনাকিগুলো
ভোর হয় ধীরে, দোতারা খঞ্জনি কত কী বাতাসে বটতলে বাউলের জলসায় আজ কে না যাবে, ঘুঙুরের শব্দে গাঢ় অন্ধকার ফিকে হয় যুবক-যুবতীরা উত্তাল, ঘাসবন ফুঁড়ে উঠে আসে।
আলোর ভয়ে ছড়ানো ফোয়ারা ফুল, লোভে পড়া যৌনতরু এবং মিথ্যের জালে আটকে রাজহাঁসের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে এই লেখায়। আত্মবন্দী এক মানুষের চরকায় সুতোকাটা এবং মায়ার প্রতিবিম্বের কথা উঠে এসেছে। অর্থ-জ্ঞানে কোনো বৃহস্পতি নেই বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
যদি-না সাড়া দাও, বুঝে নেব—এ তোমার স্বেচ্ছা-নির্বাসন।
মাঝে মাঝে কার কাছে যাব সবারই তো ক্ষত, পোড়া দাগ
তোমার বুকে বাজুক শর্তহীন প্রেমের ডামাডোল, চোখে লেখা হোক শ্রেণিহীন প্রাণের বিন্যাস।
তাঁর কবিতায় অভিযোগ বা প্রতিরোধ খুব কম। তিনি বৃষ্টিতে ভিজুন, রোদে পুড়ুন বা একাকিত্বে কাটান—বর্তমান পরিস্থিতিকে পুরোপুরি স্বীকার করে নিতেন।
মহাকালের মহানদের খলবলে জলভান্ডার, শিকড়গুলোকে ডুবিয়ে রাখে অরিক্ততার অসামান্য ভোজে।
মা–পাখিটা আজব রাখাল সেজেছে এক—খুলে খুলে শিমুল তুলার ঝাঁক, ওড়ায় হা–হা–শূন্য—আকাশের দিক।
প্রদগ্ধ হৃদয়—সে–ও অন্ধ বাদুড় এক—প্রক্ষেপণ করে শ্রুতির অধিক প্লুতস্বর— সংবিগ্ন স্যানিটোরিয়াম, নিক্রপলিসের কোনো মর্মর দেয়ালে…
বুকে প্রেক ঠুকে ঠুকে শীতল দাহের পর কবেকার প্রেমপত্রখানি পড়ে চোখে
এক ভাগ নিয়ে তোমরা কাড়াকাড়ি করো অর্ধেক আমি মারসোর সাথে প্রতিদিন মৃত্যুকে