মা-গাছেরা বড় দ্রুত বেড়ে ওঠে।আকাশের দিকে হাত বাড়িয়ে ছুঁতে চায়চাঁদের খসখসে বুড়িটাকে,না পারলে মেঘভান্ডারের দিশাহীন ওড়াউড়ি, একটু হলেও—সোনামেঘের, অন্তত, মুখটা।মা-গাছেদের সন্তর্পণে জল সরবরাহ করেমহাকালের মহানদের খলবলে জলভান্ডার,শিকড়গুলোকে ডুবিয়ে রাখে অরিক্ততার অসামান্য ভোজে।ধ্রুপদ নর্তকীর ‘তা তা থই থই’ শব্দমুদ্রার পক্ষে যেমন করেপদযুগলের উল্লম্ফনে মঞ্চ কেঁপে ওঠেআর শরীর ভেসে যায় বাতাসের ইশারাময় ভাষায়,ঠিক তেমনিভাবেই যেন মা-গাছেরাতাদের শিশু-গাছেদের, শিশু-শব্দদের নিয়েগুন টেনে টেনে মহাকালের ঝুলবারান্দার দিকে অ্যাক্রোব্যাটের মতো উঠে যায়।আবহমানের এই সব মা-গাছ আরতার ক্রমাগত চলমান শিশু-গাছদেরআমি আর ছুঁতেই পারি না। এখন। কখনো।

বাংলায় মাদ্রাসাশিক্ষার সূচনা ও প্রসার
২০ জুন, ২০২৬ এ ১২:৫৫ অপরাহ্ণ





