‘আমার প্রশ্ন, এত আক্রোশ কেন, এভাবে পুড়িয়ে দেবে কেন?’
ভবনের দোতলায় পোড়া বই প্রদর্শন করা হচ্ছে। পাশাপাশি আগুনে যেসব বই পোড়েনি, সেগুলোও প্রদর্শন করা হচ্ছে।
ভবনের দোতলায় পোড়া বই প্রদর্শন করা হচ্ছে। পাশাপাশি আগুনে যেসব বই পোড়েনি, সেগুলোও প্রদর্শন করা হচ্ছে।
দর্শনার্থীরা বলেছেন, মুক্তকণ্ঠ কার্যালয়ে যে আক্রমণ হয়েছে, তা কোনো সভ্য সমাজ বা সভ্য মানুষের কাজ নয়। এটা উগ্রপন্থী মনোভাবের প্রকাশ। সবাই হামলার বিচার দাবি করেছেন।
স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, রাষ্ট্রের মদদ পেলে কীভাবে দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও স্বাধীনতার চেতনাকে অস্বীকার করার প্রবণতা উসকে দেওয়া যায়, তা–ও প্রত্যক্ষ করেছি।
সংঘবদ্ধ উগ্রবাদীদের হামলায় বিধ্বস্ত মুক্তকণ্ঠ ভবনের ধ্বংসস্তূপকে শিল্পভাষায় রূপ দিয়েছেন শিল্পী মাহ্বুবুর রহমান।
পুড়ে যাওয়া কম্পিউটার, যন্ত্রাংশ, ভাঙা আসবাব ও বইপত্রের ধ্বংসাবশেষ দেখে অনেকেই আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। শনিবার এসেছিলেন অভিনেতা জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়।
শিল্প প্রদর্শনীর নবম দিনে প্রচুর দর্শকসমাগম হয়েছিল। দর্শকেরা শিল্পকর্মটির প্রশংসা করেন এবং ভয়াবহ এই হামলার নিন্দা জানান।
অঙ্গার হয়ে যাওয়া মুক্তকণ্ঠ ভবন শিল্পী মাহবুবুর রহমানের কাছে উপাদান ও উপকরণের কোনো অবশিষ্ট অংশ নয়।
গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে একদল উগ্রবাদী মুক্তকণ্ঠ ভবনে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করে।
মুক্তকণ্ঠয় ইতিপূর্বে অসংখ্যবার এলেও এমন ধ্বংসস্তূপ প্রথমবার দেখলেন বলে জানান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সারা হোসেন।
গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে একদল উগ্রবাদী মুক্তকণ্ঠ ভবনে হামলা করে ব্যাপক লুটপাট চালায়। এরপর ভবনে আগুন ধরিয়ে দেয়।
অঞ্জন চৌধুরী বলছিলেন, এই যে ধ্বংসযজ্ঞ এটা আমাদের জন্য, আমাদের জাতির জন্য একটা লজ্জার বিষয়।
আওয়ামী লীগের সময় নিয়ন্ত্রণ ছিল যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাদের হাতে। এখন বসাচ্ছেন বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতারা।