
ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় মাছবাহী ট্রাকের ভাড়া বাড়ছে ৩-৪ হাজার টাকা
দেশের অন্যতম মাছ উৎপাদনকারী জেলা ময়মনসিংহ থেকে প্রতিদিনই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে যায় বিপুল পরিমাণ মাছ। তবে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও সংকটের কারণে আবারও বাড়ছে মাছ পরিবহনের ট্রাকভাড়া।

দেশের অন্যতম মাছ উৎপাদনকারী জেলা ময়মনসিংহ থেকে প্রতিদিনই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে যায় বিপুল পরিমাণ মাছ। তবে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও সংকটের কারণে আবারও বাড়ছে মাছ পরিবহনের ট্রাকভাড়া।

চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে যাওয়ায় দুই জেলাতেই লোডশেডিং বেড়েছে। এতে শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, কৃষিতে সেচসংকট তৈরি হয়েছে।

সরকার নতুন করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। তাতে জ্বালানি তেল বিক্রিতে সরকারের ভর্তুকি কিছুটা কমবে।

কক্সবাজারের লবণচাষিরা আজ বহুমুখী সংকটের মুখোমুখি। একদিকে উৎপাদন খরচের চেয়েও অনেক কম দাম, অন্যদিকে প্রকৃতির বৈরী আচরণ—এই দুইয়ের জাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে প্রান্তিক চাষিরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।

চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) বা প্রথম প্রান্তিকে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ শতাংশ বেড়েছে।

চলতি মৌসুমে (১৫ নভেম্বর থেকে ১৫ মে) জেলার প্রায় ৬৮ হাজার ৫০০ একর জমিতে লবণ চাষ হয়েছে। চাষের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন প্রায় ৪২ হাজার চাষি। তাঁদের বেশির ভাগই বৃষ্টির আশঙ্কায় এরই মধ্যে লবণ উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছেন।

দেশের ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সুপার স্টার গ্রুপ (এসএসজি) সম্প্রতি তাদের প্রয়াত পরিবেশক মো. আবুল কাশেমের স্ত্রীর কাছে ১০ লাখ টাকার মৃত্যুবিমা দাবির চেক হস্তান্তর করেছে।

এশিয়া ও ইউরোপের শোধনাগারগুলো বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহে ঝুঁকছে। ফলে বিশ্বের বৃহত্তম উৎপাদক যুক্তরাষ্ট্রের তেলের চাহিদা হঠাৎই বেড়ে গেছে।

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে ১৩ থেকে ২০ গ্রেডের ১১০টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। উৎপাদনমুখী কর্মসংস্থান কর্মসূচি (পিইপি)

বিশ্লেষকেরা বলছেন, তেল উৎপাদন কমিয়ে টানা দুই মাস রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ রাখলেও ইরানের অর্থনীতিতে খুব বড় কোনো প্রভাব পড়বে না।

বাংলাদেশের শ্রম খাত দীর্ঘদিন ধরেই ভারসাম্যহীন এক বাস্তবতার মধ্যে রয়েছে। এখানে একদিকে রয়েছে উৎপাদনমুখী অর্থনীতির চাপ, অন্যদিকে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের সংগ্রাম।

হরমুজ প্রণালীতে চলমান অবরোধ বিশ্ব অর্থনীতিকে এক গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ এলএনজি এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় এর অচলাবস্থা সরাসরি জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে। তেলের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরবরাহ চেইনে ব্যাঘাত বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে তুলছে। এর পাশাপাশি আধুনিক যুদ্ধ কৌশলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ড্রোন প্রযুক্তি এবং অ্যালগরিদম-নির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এই সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি শুধু সামরিক সংঘাত নয়, বরং অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত আধিপত্যের লড়াই। হরমুজ সংকট দীর্ঘায়িত হলে খাদ্য নিরাপত্তা, শিল্প উৎপাদন এবং বৈশ্বিক বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। ফলে এই সংকটের দ্রুত সমাধান এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।