অনুসন্ধান ইঞ্জিন

সংবাদ অনুসন্ধান করুন

268 টি ফলাফল পাওয়া গেছে: "শিল্প ও সাহিত্য"

কবিতা কি হতে পারে সবচেয়ে বিপজ্জনক অস্ত্র

কবিতা কি হতে পারে সবচেয়ে বিপজ্জনক অস্ত্র

প্রায় সোয়া শ বছর আগে অত্যন্ত অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে জন্ম নেওয়া কবি পাবলো নেরুদা রেখে গেছেন এমন এক সাহিত্যিক উত্তরাধিকার, যা আজও অমলিন।

১২ জুলাই, ২০২৬ এ ৮:৪৫ পূর্বাহ্ণ
ব্যাকবেঞ্চার সোহেল এবং রবীন্দ্রনাথ

ব্যাকবেঞ্চার সোহেল এবং রবীন্দ্রনাথ

সোহেল এক বিশিষ্ট ব্যাকবেঞ্চার। জীবনে একবারই সে সামনের বেঞ্চিতে বসেছিল, যেদিন তার আব্বা তাকে স্কুলে ভর্তি করিয়ে হেডমাস্টারকে বলেছিলেন তার দিকে একটু বিশেষ দৃষ্টি রাখতে। সেদিন হেডস্যার নিজে তাকে ক্লাসে পৌঁছে দিয়ে ফার্স্ট বেঞ্চিতে বসিয়ে দিয়ে গেছিলেন। তার পর থেকে সে আর কখনো ভুলেও ফার্স্ট বেঞ্চিতে বসেনি। বসবেই–বা কেন? পড়ালেখার প্রতি ন্যূনতম আগ্রহ তার কোনোকালে ছিল না; ক্লাসে স্যাররা যা বলেন, তা মনোযোগ দিয়ে শোনার কোনো কারণ সে খুঁজে পায়নি কখনো। পরীক্ষায় সে কোনোমতে টেনেটুনে পাস করে, কখনো কখনো দু–এক সাবজেক্টে ফেলও করে। পড়ালেখায় লাড্ডুমার্কা বলে এমন নয় যে তার মাথায় গোবর পোরা। সিলেবাসের বইগুলো বাদে সব ব্যাপারে তার বিপুল আগ্রহ।

১১ জুলাই, ২০২৬ এ ৮:১৫ পূর্বাহ্ণ
২০৪৬-এর বিশ্বকাপে যা যা ঘটল

২০৪৬-এর বিশ্বকাপে যা যা ঘটল

২০৪৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাই যখন শুরু হলো, একটা দেশ খুব ভালো করতে শুরু করল। দেশটার নাম আমি বলে দিতে চাই না। ধরা যাক, দেশটার নাম আন্দিরা। তাদের দলে মেসি ২ জন, এমবাপ্পে আছে ২ জন, হল্যান্ড আছে ২ জন, হাকিমি ২ জন, গোলকিপার মার্তিনেজ ২ জন। সব মেড ইন আন্দিরা। তাদের নামও মেসি কিংবা মার্তিনেজ নয়। মেসি ১-এর নাম লিং, আর মেসি ২–এর নাম পিং। এই রকম আরকি।

১০ জুলাই, ২০২৬ এ ৮:১৫ পূর্বাহ্ণ
অতল

অতল

শ্যামল দাবি করে, মাঝে মাঝে কুয়ার ভেতর থেকে অস্পষ্ট কিছু আওয়াজ উঠে আসে। কোনো কোনো ঝিম-ধরানো দুপুরবেলা হয়তো সে বাড়ির ভেতরের দিকের বারান্দায় মাদুর পেতে শুয়েছে। তার ঘুম ভেঙেছে অচেনা কিছু শব্দ। অনুসন্ধান করে সে দেখেছে কুয়াতলা থেকে আসছে সেসব শব্দ। কিসের শব্দ? দুটো মানুষ যেন তর্ক করছে, বা কেউ কাউকে ডাকছে। অচেনা ভাষা। মাঝে মাঝে যান্ত্রিক শব্দও ভেসে আসে। যেন একটা ট্রেন যাচ্ছে কোথাও। কোনো কোনো অমাবস্যার রাতেও কুয়ার অতল থেকে শব্দ আসে। খুব মিহি। প্রায় শোনাই যায় না।

১০ জুলাই, ২০২৬ এ ৭:৪৫ পূর্বাহ্ণ
নীল স্যুটকেস

নীল স্যুটকেস

হেনরি স্যুটকেসটার সঙ্গে মাথা ঘষছে। সিনথিয়া ওর মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। দৃশ্যটা কোনো কারণে আমার খুব ভালো লাগছে। স্যুটকেসটা একটু ঘুরে গেছে। এখন ওর আধখোলা চেইন দেখা যাচ্ছে। ওখান থেকে লাল-সবুজ চেকের একটা কাপড় উঁকি দিচ্ছে । আর পাশে সাদা পশমি কিছু। অনেকটা শীতের রাতে ঘুমানোর আগে পরার মোজার মতো। হঠাৎ করেই আমার মনে হলো, স্যুটকেসটা বাড়ি ফেরার জন্য গোছানো হয়নি। বাইরে আবার তুষার নামতে শুরু করেছে। ধীরে। একেবারে শব্দহীন।

৯ জুলাই, ২০২৬ এ ৭:১৫ পূর্বাহ্ণ
আমরা কি ‘সত্য-উত্তর’ যুগে বাস করছি

আমরা কি ‘সত্য-উত্তর’ যুগে বাস করছি

পোস্ট-ট্রুথের বিপরীতে সবচেয়ে বড় অস্ত্র হতে পারে ‘সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি’—কুন্দেরা যাকে বলছেন ‘প্রশ্নপ্রবণ চেতনা’ বা জিজ্ঞাসু দৃষ্টিভঙ্গি। অনেকে মনে করেন ‘সেন্সরশিপ’ সমাধান। কিন্তু সেন্সরশিপের নীতিমালা তৈরি করবে বা বাস্তবায়ন করবে যে পক্ষ তাকেও আমরা আর বিশ্বাস করতে পারি না। ফলে ‘সেন্সরশিপ’ আরোপ করে সমালোচনার পথ বন্ধ করার প্রচেষ্টা হিতে বিপরীত হয়ে যায়—সমাজে সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তির চর্চার ক্ষেত্র আরও সংকুচিত হয়ে আসে। একটি দেশের গণতন্ত্র তখনই শক্তিশালী হয়, যখন মানুষ যুক্তি দিয়ে মতভেদ করতে শেখে; বিদ্বেষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে না। এই সত্য-উত্তর বাস্তবতায় আমাদের রক্ষাকবচ হতে পারে দেশের সহিষ্ণু, চিন্তাশীল নাগরিক।

৭ জুলাই, ২০২৬ এ ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
পানির অপর নাম জীবন

পানির অপর নাম জীবন

পুলিশের ব্যারিকেডের এক পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আশরাফুলের আঙুলগুলো কাঁপছে। তার ইউনিফর্মটা আজ বড়ো বেশি ভারী মনে হচ্ছে। লোহার খাঁচার ওই পাশে যারা আছে, তাদের মুখগুলো খুব চেনা মনে হচ্ছে, ওই মানুষের মধ্যে নিশ্চয় তূর্য মিশে গেছে, সকালে খুব তর্ক করেছে ছেলেটা, ওর সব বন্ধুরা মিছিলে চলে গেছে, সে-ই নাকি ঘরে বন্দী; আসলে ছেলেটা হয়েছে একদম ওর দাদার মতো, আশরাফুলের ঠিক উল্টো, সে তো ঠান্ডা মেজাজের ও শান্ত স্বভাবের লোক, এ জন্য তাকে হাফলেডিস বলে কেউ কেউ, সে অনেকবার শুনেছে, কিন্তু চামড়ার মুখ দিয়ে একটা কথা বেরিয়ে গেলে সে আর কী করতে পারে।

৭ জুলাই, ২০২৬ এ ৭:৪৫ পূর্বাহ্ণ
৮০ বছর পর মিলল হিরোশিমার প্রত্যক্ষদর্শীর স্মৃতিকথা

৮০ বছর পর মিলল হিরোশিমার প্রত্যক্ষদর্শীর স্মৃতিকথা

প্রায় ৮০ বছর আগে লেখা হিরোশিমা পারমাণবিক বোমা হামলার এক প্রত্যক্ষদর্শীর স্মৃতিকথা দীর্ঘদিন ধরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আর্কাইভে সেটি খুঁজে পাওয়া গেছে। এবার প্রথমবারের মতো বই আকারে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে সেই মূল্যবান দলিল। শুধু তা–ই নয়, স্মৃতিকথাটি অবলম্বনে নির্মিত হবে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রও। ‘হিরোশিমা, ৮: ১৫’ শিরোনামে এই স্মৃতিকথার লেখক কিয়োশি তানিমোতো। ১৯৪৭ সালে তিনি ২৩০ পৃষ্ঠার বইটি লিখেছিলেন। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট হিরোশিমায় যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক বোমার ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ তিনি নিজের চোখে দেখেছিলেন। সেই ভয়ংকর অভিজ্ঞতাই তিনি তুলে ধরেছিলেন লেখায়।

৫ জুলাই, ২০২৬ এ ১২:৩৬ অপরাহ্ণ
তোমার ঘ্রাণে

তোমার ঘ্রাণে

ছাতার শহর, রাতের প্রহর, তোমার কেনা মিথ্যে শোকে ঘ্রাণ মিশে যায় গায়ে গায়ে যেমন চেনা অন্য লোকের মিলিয়ে গেছে, যায়নি পাওয়া তোমার গায়ের সমস্ত ঘ্রাণ একটা শহর ব্যস্ত তখন হারিয়ে যাওয়ার খুব অভিমান।

৫ জুলাই, ২০২৬ এ ৮:৪৫ পূর্বাহ্ণ