
জেনেভায় আলোচনা শেষ হতেই মধ্যপ্রাচ্যে যৌথ মহড়ায় ইরান-রাশিয়া
রাশিয়াকে নিয়ে যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করছে তেহরান ও মস্কো।

রাশিয়াকে নিয়ে যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করছে তেহরান ও মস্কো।

ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলার মধ্যে এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি রণতরির বহর মোতায়েন করা রয়েছে।

সৌদি আরবের এই সামরিক অভিযানের মাধ্যমে রিয়াদের অবস্থান স্পষ্ট হয়ে যায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘এই খেলা’ আর চলবে না। ইয়েমেন থেকে সুদানসহ বিভিন্ন দেশে বিচ্ছিন্নতাবাদী মিলিশিয়াদের সমর্থন দিয়ে আমিরাত যেভাবে নিজের সামরিক প্রভাব বাড়াচ্ছিল, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আর তা নীরবে মেনে নিতে রাজি নন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদ্যোগে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরান বলেছে, যেকোনো হামলার জবাবে তারা সরাসরি মার্কিন ঘাঁটি ও যুদ্ধজাহাজে হামলা চালাবে।

পারমাণবিক শক্তিচালিত বিশাল বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ বর্তমানে আরব সাগরে মোতায়েন করা হয়েছে। গত কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্র যেসব সামরিক সরঞ্জাম ওই এলাকায় পাঠিয়েছে, এটি তার মধ্যে একটি।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বিমানবাহী রণতরি নেই।

যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা হামলার ঘোষণা দিয়েছে ইরান।

ওয়াশিংটনকে ইরানের ওপর হামলা চালানো থেকে বিরত রাখতে তেহরান আঞ্চলিক মিত্রদের অনুরোধ করেছে।

সৌদির একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, এটি একটি ব্যাপক প্রতিরক্ষামূলক চুক্তি, যা সব ধরনের সামরিক সক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করে। ঠিক এ ব্যাপকতার কারণে ইরান আতঙ্কিত হবে এবং এটি একটি বিপজ্জনক অস্ত্র প্রতিযেগিতা শুরু করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক নিয়ে ভিন্নমত জানিয়েই আলোচনা এগিয়ে নিতে বলেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। অন্যদিকে বাঘের গালিবাফ আলোচনার সময় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নিজের হাতে চাইছেন।

যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধ থামানোর জন্য গত সপ্তাহে যে প্রাথমিক চুক্তি হয়েছে, তাতে সবচেয়ে বড় পরাজিত পক্ষ বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।