যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের পরাজয় মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ইরান। অন্যদিকে, ইরানের প্রতি কঠোর অবস্থান নিয়ে ট্রাম্প দেশটির সমালোচনা করে তাদের ‘অত্যন্ত নিকৃষ্ট’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিটি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালির মাধ্যমেই পরিবহন করা হতো। এই পরিস্থিতি নিয়ে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, প্রণালিটি ইরানের নির্দেশেই নিয়ন্ত্রিত হবে।
এদিকে, ট্রাম্প মার্কিন নাগরিকদের জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি (গড়ে ৪.০৮ ডলার/গ্যালন) মেনে নেওয়ার কথা বলেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি মুদ্রাস্ফীতি বাড়িয়ে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে এই সংকট নিরসনে আলোচনার টেবিলে বসতে নির্দিষ্ট শর্তারোপ করেছে ইরান।