মেধা ও প্রযুক্তিনির্ভর দেশ গড়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ
নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে শক্তিশালী গণতন্ত্র চর্চার ভিত্তি রচনা শুরু হয়েছে বলে মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।
নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে শক্তিশালী গণতন্ত্র চর্চার ভিত্তি রচনা শুরু হয়েছে বলে মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।
আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘যখন ৬ থেকে ৯ সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছিল, তখন ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো তালি দিয়েছিল। অর্থ পাচারের সময়েও তারা চুপ ছিল। এমন আচরণ করলে গণতন্ত্র কখনো শক্তিশালী হয় না।’
যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশি সংগঠন ‘উই লাভ বিডি’ নিউইয়র্ক টাইমসে একটি খোলা চিঠির মাধ্যমে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছিল। চিঠিতে মানবাধিকার লঙ্ঘন, গণতন্ত্রের সংকট এবং অর্থনৈতিক ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করা হয়।
যাঁরা ভারতীয় গণতন্ত্রকে সাধারণত বড় বড় নির্বাচন বা প্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়ার আশঙ্কার দৃষ্টিতে দেখেন, তাঁদের জন্য সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহ এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা এনে দিয়েছে।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের রক্তের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
বরিশালে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন যে, শহীদদের রক্তের মর্যাদা রক্ষা ও গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপায়নে সরকার বদ্ধপরিকর।
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এই জাদুঘর ফ্যাসিবাদের মুখোশ উন্মোচন করবে এবং এটি হবে গণতন্ত্রকামী সব মানুষের সংগ্রামের স্মৃতিবিজড়িত এক ঐতিহাসিক উদ্যোগ।
রাজধানীর ফার্মগেটে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় জুলাই জাগরণ ও গণতন্ত্রের সংগ্রাম নিয়ে কথা বললেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, অতীতে ক্ষমতার বাইরে থেকে রাজপথে আমরা যেভাবে সুশাসন ও গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি, ঠিক একইভাবে ক্ষমতাসীন হিসেবে আজ প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা সুশাসন নিশ্চিত করতে জীবন বাজি রেখে কাজ করছেন। শহীদের আত্মত্যাগ তখনই সার্থকতা পাবে, যখন আমরা গণতান
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন, জুলাই আন্দোলন কোনো ব্যক্তি বা দলের একক কৃতিত্ব নয়, বরং এটি গণতন্ত্রকামী মানুষের সম্মিলিত অবদান।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে টানা ২৬ দিন অনশন করা সোনম ওয়াংচুক ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগকে গণতন্ত্রের জয় বলে বর্ণনা করেছেন।
স্বাধীন ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার রূপকল্প ও দৃষ্টিভঙ্গিটি বোঝা যায় ভারতের গণপরিষদে প্রদত্ত সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের এই কথায়: ‘ভারত রাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের সঙ্গে নিজেকে চিহ্নিত করবে না বা কোনো ধর্ম দ্বারা পরিচালিত হবে না। আমরা বিশ্বাস করি, কোনো ধর্মকে বিশেষ মর্যাদা বা অনন্য স্বীকৃতি দেওয়া উচিত নয় এবং কোনো ধর্মকে জাতীয় জীবনে বা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা দেওয়াও অনুচিত, কারণ তা গণতন্ত্রের মৌলিক নীতিমালার লঙ্ঘন এবং ধর্ম ও সরকারের সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী।’