
ভালো ফলনেও উৎপাদন খরচ তুলতে পারছেন না সাঁথিয়ায় পেঁয়াজচাষিরা
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় বাম্পার ফলন হলেও বাজারে দাম ধসে পড়ায় প্রতি মণে প্রায় ৫০০ টাকা লোকসানে পেঁয়াজচাষিরা।

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় বাম্পার ফলন হলেও বাজারে দাম ধসে পড়ায় প্রতি মণে প্রায় ৫০০ টাকা লোকসানে পেঁয়াজচাষিরা।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম সাত মাস জুলাই–জানুয়ারিতে সরকার ব্যাংক থেকে ৬৫ হাজার কোটি এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ৭ হাজার ৭২৪ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে।

গত ১৬ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গার সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাকিল মো. ছফিউল্লাহর ভ্রাম্যমাণ আদালত আলমডাঙ্গা থানার পুলিশের ওই সদস্যকে ৫০০ টাকা জরিমানা করেছিলেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে, আজ ডলারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দাম ১২২ টাকা ৭০ পয়সা।

পাবনার বেড়া পৌর এলাকার মো. মাসুদ এক ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করছেন। যাতায়াতসহ সব মিলিয়ে মাসে প্রায় ২৭ হাজার টাকা আয় তাঁর।

এবারের আয়োজনেও গতবারের মতো মোট ১৩টি শ্রেণিতে পুরস্কার দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে সব ক্যাটাগরিতে মোট ৩৬ লাখ টাকার অর্থ পুরস্কার থাকছে এ বছর।

সমুদ্রপথে বৈধভাবে বিদেশে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বিভিন্ন সময় দেখা যায়, নৌকায় সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টাকালে অনেকেই মারা যাচ্ছেন।

ব্যাংকসেবাকে আরও সহজ, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও নিরাপদ করে তুলতে ২০১৮ সালে ডাচ্–বাংলা ব্যাংক নেক্সাস পে সেবা নিয়ে আসে। চালুর পর ধীরে ধীরে সেবার পরিধি ও আওতা বাড়াতে থাকে ব্যাংকটি।

প্রশ্ন ওঠে, হজ কি এখন তাহলে শুধু বিত্তশালীদের সংরক্ষিত সুবিধা? ২০১৫ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের খরচ ছিল তিন লাখ টাকার নিচে। এক দশকের ব্যবধানে ২০২৬ সালে এসে একই মানের খরচ দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ টাকার কাছাকাছি। গত ১০ বছরে হজের খরচ বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। অথচ এই সময়ে দেশের মানুষের গড় আয় কি দ্বিগুণ হয়েছে?

মাদারীপুরে ৬টি সোনা ও দুটি মুদিদোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। দোকানগুলোর মালিকদের দাবি, ডাকাতেরা প্রায় ৩৫ ভরি সোনা, এক হাজার ভরি রুপা ও নগদ প্রায় ৩ লাখ টাকার মালামাল লুট করেছে ডাকাত দল।

৭ এপ্রিল মুক্তকণ্ঠ খুলে একটি প্রতিবেদন চোখে পড়ল। সচিবালয়ে ২১ তলা ভবন নির্মাণ বিষয়ে। এর আগে একটা প্রতিবেদন ছিল যে এই ভবন নির্মাণে প্রতি বর্গমিটারে ব্যয় হচ্ছে ৫৩ হাজার টাকা। গণপূর্ত প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, এই তথ্য সঠিক নয় ইত্যাদি ইত্যাদি (এ ধরনের প্রতিবাদের ভাষা যেমন হয় আরকি।) তবে ৬ এপ্রিল একনেকের সভায় এই ভবনের বিষয়টি তালিকাভুক্ত ছিল কিন্তু আলোচিত হয়নি।

মোট ৫টি শ্রেণিতে (ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড়) এই কার্ড দেওয়া হলেও নগদ প্রণোদনা বা টাকা পাচ্ছেন মূলত ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকেরা।