যুক্তরাষ্ট্র কি শক্তি খাটিয়ে হরমুজ প্রণালি চালু করতে পারবে, এতে মার্কিন বাহিনীর ঝুঁকি কী কী
ইরানে স্থল অভিযানের প্রস্তুতি শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানে স্থল অভিযানের প্রস্তুতি শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের ওপর নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা আরও দুর্বল করতে এ হামলা চালানো হয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর বরাতে বিবিসি জানায়, টানা দশম রাতের মতো পরিচালিত এই হামলায় ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। মার্কিন সেন্টকম জানিয়েছ
টানা নবম দিনের মতো ইরানে মার্কিন হামলা এবং পাল্টা ইরানি আক্রমণের মধ্যেই মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে কূটনৈতিক আলোচনার ইঙ্গিত দিয়েছে দুই দেশ।
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ ইরানে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
মার্কিন অস্ত্রাগারের সীমাবদ্ধতা এবং বেসামরিক প্রাণহানির আশঙ্কায় জেডি ভ্যান্স ও ড্যান কেইনের উদ্বেগের মুখে ইরানের ওপর হামলা স্থগিত করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানে হামলা চালানোর প্রায় এক সপ্তাহ আগে প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত করা হয়
গত মঙ্গলবার রাতে শুরু হওয়া অভিযানের ধারাবাহিকতায় বুধবার রাতে ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
ইরানের হরমুজ প্রণালি অবরোধের মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি যুদ্ধ থেকে অর্থনৈতিক যুদ্ধের পথে হেঁটেছেন। এই কৌশল মূলত নতুন করে ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানে হামলা করা ছাড়াই সংঘাত শেষ করার চেষ্টা।
মিসরের দামিয়েত্তা বন্দরে মার্কিন গ্যাস ট্যাংকারে ড্রোন হামলার পর সুয়েজ খাল ও সুমেদ পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে, যা দৈনিক ৫০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহকে ঝুঁকিতে ফেলেছে।
সাম্প্রতিকতম মার্কিন হামলাগুলোর কয়েকটি দক্ষিণ ইরানে ও দৃশ্যত হরমুজ প্রণালির ওপর তেহরানের নিয়ন্ত্রণ শিথিল করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মঙ্গলবার জয়পুরে বলেছেন, ইরানে নতুন মার্কিন হামলা সত্ত্বেও দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্ভব।
মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন বলছে, হামলা সত্ত্বেও ইরানের ৯০% ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি সচল এবং ৭০% মজুত অক্ষত। চলতি মে মাসের শুরুতে তৈরি এ প্রতিবেদন নিউইয়র্ক টাইমস প্রকাশ করেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবির বিপরীতে ইরান পাল্টা হামলা চালিয়েছে।