
নতুন নিয়োগ হবে আউটসোর্সিংয়ে, পুরোনোদের চাকরি অনিশ্চয়তায়
চাকরি নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় পরিচালিত নারী নির্যাতন প্রতিরোধ প্রকল্পের পুরোনো কর্মীরা।

চাকরি নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় পরিচালিত নারী নির্যাতন প্রতিরোধ প্রকল্পের পুরোনো কর্মীরা।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ–২০২৬ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

সময়মতো প্রতিরোধ না করলে স্থায়ী শারীরিক ক্ষতি এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে।

শিক্ষামন্ত্রী যে ভাষায় ‘ফার্মের মুরগি’ শব্দ দুটি প্রয়োগের চেষ্টা করেছেন, তার অর্থ আমি যদি বুঝে থাকি, তাহলে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, শিক্ষার্থীরা হবে রোগ প্রতিরোধক্ষমতাসম্পন্ন শক্তিশালী, তারা সামান্য বৃষ্টির পানিতে কেন অসুস্থ হবে, তা নিয়ে তিনি বিরক্তি প্রকাশ করেছেন।

যুক্তরাজ্যের গবেষণায় দেখা গেছে, ১২-১৩ বছর বয়সে টিকা নেওয়া কিশোরীদের ক্ষেত্রে ৩০ বছরের মধ্যে জরায়ুমুখ ক্যানসারে মৃত্যুর হার প্রায় শূন্য। বাংলাদেশেও এখন সরকারিভাবে এই টিকাদান কর্মসূচি চালু হয়েছে।

কোনো রোগে যে কারও মৃত্যু হতেই পারে। কিন্তু সে রোগটি যদি প্রতিরোধযোগ্য হয়, আর যদি সেই প্রতিরোধের ন্যূনতম চেষ্টা না করা হয়

বাংলাদেশে শিশুদের জ্বর হলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানোর প্রবণতা রয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে শিশুর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা হ্রাস এবং ড্রাগ রেজিস্ট্যান্সের মতো মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ধবলসূতি সীমান্ত দিয়ে তিন নারীকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ), যা বিজিবির প্রতিরোধে ব্যর্থ হয়।

২০০৩ সালের ৮ জুলাই কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও তাঁর সাহিত্যকীর্তি আজও সমান জীবন্ত ও প্রাসঙ্গিক। সময় যত এগিয়েছে, ততই নতুন অর্থে ফিরে এসেছে তাঁর কবিতা। সমাজে যখনই শোষণ, অবিচার কিংবা ফ্যাসিবাদের অন্ধকার বিস্তার লাভ করেছে, তখনই প্রতিবাদী যুবসমাজ সাহস ও সংগ্রামের ভাষা খুঁজে পেয়েছে তাঁর কবিতায়। সুভাষ মুখোপাধ্যায় কেবল ২১ বছরের তরুণ পদাতিক-এর কবি নন; তিনি ছিলেন আজীবন সংগ্রামে অবিচল এক পথিক। তাঁর কবিতা শুধু একটি সময়ের রাজনৈতিক উচ্চারণ নয়, বরং ন্যায়, মানবমুক্তি ও প্রতিরোধের এক স্থায়ী কাব্যভাষা, যা যুগে যুগে মেহনতি মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শক্তি ও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জুগিয়ে যাবে। তাঁর বিখ্যাত কবিতার সেই অবিনশ্বর লাইন, যা চিরকাল মানুষের মনে আশার আলো জ্বেলে রাখবে: ‘ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত। শান-বাঁধানো ফুটপাথে পাথরে পা ডুবিয়ে এক কাঠখোট্টা গাছ কচি কচি পাতায় পাঁজর ফাটিয়ে হাসছে।’ (ফুল ফুটুক না ফুটুক, ফুল ফুটুক)

১৯৭১ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জেনোসাইড আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হলেও জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি আজও মেলেনি। এই প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যতে সহিংসতা রোধ ও সামাজিক মেরুকরণ হ্রাসে জেনোসাইড প্রতিরোধের বৈশ্বিক তত্ত্বগুলো বাংলাদেশের জন্য কতটা প্রাসঙ্গিক, তা বিশ্লেষণ করেছেন উম্মে ওয়ারা।

বদলে যাওয়া পরিস্থিতিতে নিজের ও পরিবারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমাদের সচেতনতা ও প্রতিরোধকৌশলেও পরিবর্তন আনা জরুরি।

চর্চা ডটকমের সম্পাদক সোহরাব হাসান বলেন, প্রকল্পভিত্তিক উন্নয়ন দিয়ে ডুবে মৃত্যু রোধে খুব বেশি দূর এগোনো যাবে না। সবাইকে সম্পৃক্ত করে স্থায়ী উদ্যোগ নিতে হবে।