বৃষ্টি সত্ত্বেও বায়ুদূষণে বিশ্বশীর্ষে ঢাকা
বৃষ্টি হলেও ঢাকা বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর। আইকিউএয়ারে বায়ুর মান ১৯৮, তিন এলাকায় সবচেয়ে খারাপ। নয়াদিল্লি ও উহান দ্বিতীয়-তৃতীয় স্থানে।
বৃষ্টি হলেও ঢাকা বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর। আইকিউএয়ারে বায়ুর মান ১৯৮, তিন এলাকায় সবচেয়ে খারাপ। নয়াদিল্লি ও উহান দ্বিতীয়-তৃতীয় স্থানে।
বায়ুদূষণে বিশ্বের ১২২ শহরের মধ্যে শীর্ষে ঢাকা। আইকিউএয়ারে বায়ুর মান ২০৮, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’। বেচারাম দেউড়ীসহ পাঁচ এলাকায় পরিস্থিতি নাজুক, বাইরে বের হলে মাস্ক পরার পরামর্শ।
শুক্রবার ছুটির দিনেও বিশ্বের ১২৩ নগরীর মধ্যে বায়ুদূষণে ঢাকা শীর্ষে। বারিধারা পার্ক রোডের বায়ুমান ১৭৯, যা অস্বাস্থ্যকর। আইকিউএয়ার মাস্ক পরার ও জানালা বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছে।
বৃষ্টির পরও ঢাকা বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরে রয়েছে, বায়ুর মান ১৭৭। আইকিউএয়ারের তথ্য অনুসারে আগারগাঁওয়ে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা, মান ২১৬। বিশেষজ্ঞরা নির্মাণকাজ থেকে ছড়ানো ধুলোকে দায়ী করছেন।
আজ বুধবার নগরীর কয়েকটি অভিজাত এলাকার বায়ুর মান অপেক্ষাকৃত বেশি খারাপ। এর মধ্যে বায়ুদূষণে শীর্ষে আছে বারিধারা।
আইকিউএয়ারের পরামর্শ অনুযায়ী, আজ ঢাকায় বায়ুর যে মান, তাতে বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে।
আজ বায়ুদূষণে শীর্ষে আছে গুলশানের বে’জ এইজ ওয়াটার।
আজ সকাল নয়টার দিকে ঢাকার বায়ুর মান ১৫৭। বায়ুর এ মান মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর।
পরিষ্কার রাতে শহর থেকে দূরে গেলে আমরা চাঁদ, বিভিন্ন গ্রহ ও অসংখ্য নক্ষত্র দেখতে পাই। এমনকি বড় শহরের আলোকদূষণের মধ্যেও কিছু উজ্জ্বল নক্ষত্র খালি চোখে স্পষ্ট দেখা যায়। আকাশ দেখার শুরুতে একটি বিশেষ কৌশল আপনাকে অনেক সাহায্য করবে। একে বলা হয় হাতের মাপের কৌশল।
কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া খাল খনন চললেও অন্যদিকে ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হচ্ছে। এতে সরকারি অর্থ অপচয় এবং পরিবেশ দূষণের প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বিজ্ঞান বিষয়ে ৪টি বিস্তৃত প্রশ্ন-উত্তর দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রশ্নে ৬ নম্বর করে মোট ২৪ নম্বর। বায়ুদূষণ, বায়ুর উপাদান ও প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।
জাপানের পরিচ্ছন্ন রাস্তা থেকে শিক্ষা নিয়ে লেখক বাংলাদেশের প্লাস্টিক দূষণের ভয়াবহতা তুলে ধরেছেন। অস্ট্রেলিয়া, জার্মানির মতো দেশের সফল মডেল ও লোকশিল্পভিত্তিক সমাধানের প্রস্তাব দিয়েছেন। পরিবেশ সচেতনতা ও নীতিগত পরিবর্তনের মাধ্যমে টেকসই ভবিষ্যত গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন।