
কালবৈশাখীর ধ্বংসলীলায় জয়পুরহাটে ৭৫ গ্রাম অন্ধকারে, ৩০ হাজারের দুর্ভোগ
জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ৭৫টি গ্রাম বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। প্রায় ৩০ হাজার গ্রাহক দুর্ভোগ সহ্য করছেন। মেরামতকাজ চললেও পুরোপুরি স্বাভাবিকতা ফিরতে সময় লাগবে।

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ৭৫টি গ্রাম বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। প্রায় ৩০ হাজার গ্রাহক দুর্ভোগ সহ্য করছেন। মেরামতকাজ চললেও পুরোপুরি স্বাভাবিকতা ফিরতে সময় লাগবে।

সরকারি হিসাবে অতিবৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে জুড়ী উপজেলার ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ ধান পানির নিচে চলে গেছে।

পরিবেশকর্মীদের মতে, লবণাক্ততার বিস্তার, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়া, বৃষ্টির অভাব—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি প্রতিবছরই জটিল হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেটসহ ছয় বিভাগে আরও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে।

এই সময়ে এমন বৃষ্টি কেন

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকামুখী ট্রেনটি ফেনী স্টেশনে প্রবেশ করতেই হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে থাকে এর ইঞ্জিনের ‘ট্যাবলেট কভার’ থেকে। ট্রেনের এক সহকারী লোকোমাস্টার (এএলএম) তা সারাতে গিয়েই অসুস্থ হয়ে পড়েন ধোঁয়ায়। ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় প্রায় ৮০০ যাত্রী নিয়ে আটকে রয়েছে ট্রেনটি।

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় টানা ১৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় আছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন ১৩০টি গ্রাম।

বৃষ্টি উপেক্ষা করেই জ্বালানি তেলের জন্য রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে সারিবদ্ধ হয়ে অপেক্ষা করেন চালকেরা। তবে আগের চেয়ে অপেক্ষার সময় কমে আসায় ভোগান্তি কিছুটা কমেছে।

সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে নোয়াখালী জেলায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিদ্যুতের তীব্র সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কারখানার মালিক থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীরাও।

মেহেরপুরে গ্রীষ্মের তপ্ত বাতাসে জনজীবনে এখন বিপর্যস্ত অবস্থা, এর মধ্যে খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে ঘন ঘন লোডশেডিং। দিনে রোদে কাজ করা দুষ্কর হয়ে পড়েছে, বিদ্যুতের অভাবে বাসিন্দাদের কাটছে ঘুমহীন রাত।

চট্টগ্রামের ২৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি বন্ধ, উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে।

টানা প্রায় ১৫ ঘণ্টা উৎপাদনে থাকার পর আবার বন্ধ হয়েছে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট।