সিআইএ–ইসরায়েল কীভাবে খামেনির অবস্থান খুঁজে পেল
সিআইএ–ইসরায়েল কীভাবে খামেনির অবস্থান খুঁজে পেল
সিআইএ–ইসরায়েল কীভাবে খামেনির অবস্থান খুঁজে পেল
গত মার্চে সৌদি আরব ও ইরাকে সিআইএ-র স্থাপনায় ইরানি ড্রোন হামলার পেছনে রাশিয়ার প্রযুক্তিগত সহায়তা বা তথ্য সরবরাহের বিষয়টি তদন্ত করছে মার্কিন গোয়েন্দারা।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ আরও কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে হত্যার আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে ঘনিষ্ঠ গোয়েন্দা তথ্য আদান–প্রদান হয়েছিল।
সিআইএর সাবেক পরিচালক জন ব্রেনান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন বলে অভিযোগ করে বলেছেন, তাঁকে সংবিধানের ২৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করা উচিত। ইরানি সভ্যতা ধ্বংসের হুমকি সহ ট্রাম্পের বক্তব্যকে তিনি পারমাণবিক ঝুঁকির ইঙ্গিত বলে মনে করেন। কংগ্রেসের ৭০ জনের বেশি ডেমোক্র্যাট এই দাবি সমর্থন করলেও বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নেই।
তাঁর কারণে সিআইএর হয়ে কাজ করা অন্তত ১০ জন গোয়েন্দা কর্মকর্তা প্রাণ হারান
জ্বালানি মজুত ফুরিয়ে যাওয়া এবং ট্রাম্পের অবরোধের মধ্যে সিআইএ প্রধান জন র্যাটক্লিফ কিউবা সফর করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র-কিউবা সম্পর্ক সংকটময় হলেও দুই পক্ষের গোয়েন্দা ও কূটনৈতিক আলোচনা চলছে। বিদ্যুৎ সংকটে কিউবায় বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) প্রতিবেদন।
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ তাদের সঙ্গে ইরানিদের গোপনে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়েছে।
মার্কিন গোয়েন্দা মহলে ইসরায়েলি তথ্যের নির্ভরযোগ্যতাকে ‘খুবই নিম্নস্তরের’ বলে বিবেচনা করা হয়েছিল।
ইরানে মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর ক্রু এক দিনের বেশি নিখোঁজ ছিলেন। মার্কিন বাহিনী অভিযান চালিয়ে তাঁকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে। লুকিয়ে থাকা এবং উদ্ধার অভিযানের বিবরণ জানিয়েছেন দুই মার্কিন কর্মকর্তা।
ইরানে গত শুক্রবার মার্কিন এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হলে একজন ক্রু পাহাড়ের খাঁজে লুকিয়ে এক দিনের বেশি সময় টিকে ছিলেন। মার্কিন কমান্ডোরা অভিযান চালিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন, যাতে সিআইএ এবং ইসরায়েল সহযোগিতা করে। ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই যোদ্ধাকে সাহসী বলে সম্মান জানিয়েছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত লাখ লাখ নথিতে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। এমন কিছু নেই, যা দেখিয়ে বলা যাবে—এপস্টেইন নিয়মিত সিআইএ, এমআই ৬ বা মোসাদের দপ্তরে যেতেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, তাঁর সে প্রয়োজনও ছিল না। সাবেক ও বর্তমান রাষ্ট্রদূত, বিশ্বনেতা ও ধনকুবেররাই তাঁর কাছে যেতেন।