শ্রম আইন ও বিধিমালা নিয়ে বইয়ের মোড়ক উন্মোচন
গত ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধনী (অধ্যাদেশ) জারির পরিপ্রেক্ষিতে শ্রম আইনের যথাযথ ও কার্যকর প্রয়োগে সহায়তা করার লক্ষ্যে বইটি রচিত হয়েছে।
গত ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধনী (অধ্যাদেশ) জারির পরিপ্রেক্ষিতে শ্রম আইনের যথাযথ ও কার্যকর প্রয়োগে সহায়তা করার লক্ষ্যে বইটি রচিত হয়েছে।
সংশোধনের আলোচনার জন্য ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের (টিসিসি) বৈঠক ডেকে তা আবার স্থগিত করা হয়েছে।
শ্রম আইন বাস্তবায়নের অগ্রগতি ও কার্যকর প্রয়োগকে বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
শ্রমনীতি পরিবর্তনের প্রক্রিয়া থামানোর দাবি জানিয়েছে শেভরন বাংলাদেশ এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন।
বিকেএমইএ সংশোধিত শ্রম আইনে অস্পষ্টতা রয়ে যাওয়ায় শ্রম অসন্তোষের আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। তারা আইনের আরও সংশোধনের দাবি তুলেছে এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের ন্যায্য মূল্য প্রদানের তদারকির আহ্বান জানিয়েছে। সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমের স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব বলা হয়েছে।
বিকেএমইএর নেতারা শ্রম অধ্যাদেশ সংশোধন চেয়েছেন শ্রমিকের সংজ্ঞা, ক্ষতিপূরণ, যৌথ দরকষাকষি প্রতিনিধি নির্বাচন এবং ভবিষ্যৎ তহবিল নিয়ে অস্পষ্টতা দূর করতে। তাঁরা টিসিসির সিদ্ধান্ত অনুসারে আইন পাসের দাবি জানিয়েছেন। এ কথা রোববার বাংলামোটরে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে।
তাসলিমা আখতার ও শ্রমিকনেতারা সংসদে শ্রম অধিকার নিশ্চিত করতে শ্রম অধ্যাদেশ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।
শ্রম অধ্যাদেশ (২০২৫) দ্রুত আইনে রূপ দেওয়ার দাবিতে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন (টাফ) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে। শনিবার সকালে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রমিক নেতারা অংশ নিয়ে সংসদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। অধ্যাদেশটি পাস না হলে বাতিলের আশঙ্কা করেছেন তারা।
এক সপ্তাহে সৌদিতে ৭,৭৬০ জন অবৈধ বাসিন্দাকে গ্রেপ্তার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।
যুক্তরাষ্ট্রের জোর করে শ্রম ও অতিরিক্ত উৎপাদন তদন্তের শুনানির প্রস্তুতিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঘাটতি নিয়ে ব্যবসায়ীরা উদ্বিগ্ন। এখনো বেসরকারি খাতের সঙ্গে বৈঠক হয়নি। সচিব দাবি করলেন, প্রস্তুতি পুরোপুরি আছে।
জাতীয় সংসদে গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিল পাস হয়েছে। এক কারখানায় ট্রেড ইউনিয়নের সংখ্যা পাঁচ থেকে তিনটিতে নামানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরে এটি আইন হয়ে যাবে।
গৃহকর্মীরা শ্রম আইনে আংশিক সুরক্ষা পেলেও মজুরি ও কর্মঘণ্টাসহ মৌলিক অধিকারে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন।