পশ্চিম তীর দখলে ইসরায়েলের তৎপরতার বিরোধিতা–সমালোচনা
ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর তৎপরতা শুরু করেছে ইসরায়েল।
ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর তৎপরতা শুরু করেছে ইসরায়েল।
অধিকৃত পশ্চিম তীরের নাবলুস ও তুলকারেম এলাকায় দুটি মসজিদে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে।
পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি মানবাধিকার লঙ্ঘনের চিত্র সশরীর দেখতে গিয়ে চরম হেনস্তার শিকার হয়েছেন মার্কিন ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য রো খান্না।
ফিলিস্তিনিরা ইসরায়েলের এ পদক্ষেপকে ‘কার্যত একীভূতকরণ’ বলে উল্লেখ করেছে।
গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের এক দিন পশ্চিম তীরের একটি পুলে সাঁতার কাটছিল ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা—ফিলিস্তিনিদের সেচের পানি অন্যদিকে ঘুরিয়ে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অধিকৃত পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতাকে উড়িয়ে দিয়ে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন যে, সেখানে ৯৯.৯ শতাংশ বসতি স্থাপনকারীই আইন মেনে চলেন। তবে জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ অধিকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরগুলো পূর্ণ দখলের নির্দেশ দিয়েছেন। সাম্প্রতিক অভিযানে জেনিনসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।
ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে সিএনএনসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের ওপর ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলার ঘটনা ঘটেছে, যাতে চারজন গ্রেপ্তার হয়েছে।
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ আটটি দেশ গতকাল এক যৌথ বিবৃতিতে ইসরায়েলের এমন পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছে।
গত বছর ইসরায়েলি বাহিনী কয়েক সপ্তাহ ধরে জেনিন শরণার্থীশিবিরে প্রাণঘাতী অভিযান চালায়
অধিকৃত পশ্চিম তীরে পবিত্র রমজানেও একটি মসজিদে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা।
পশ্চিম তীরের একমাত্র খ্রিষ্টান শহর তাইবেহে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা, জমি দখল ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বাসিন্দারা।