আন্দোলনরত পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবি বিবেচনা করে আগামী জানুয়ারির মধ্যেই নতুন মজুরি নির্ধারণ ও প্রদানের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতি। একই সঙ্গে আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় গ্রেপ্তার হওয়া শ্রমিকদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি তুলেছে এই সংগঠন।
আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সভাপ্রধান তাসলিমা আখতার এসব কথা বলেন। উল্লেখ্য যে, সরকার গঠিত মজুরি বোর্ডের প্রথম সভার দিনটি সামনে রেখে এই সমাবেশের আয়োজন করে গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতি। এই সমাবেশ থেকে শ্রমিক তৌফিক শেখ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানানো হয়।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তাসলিমা আখতার বলেন, “শ্রমিকদের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার থেকে ৩৫–৩৬ হাজার টাকা পর্যন্ত মজুরির যে দাবিগুলো উঠছে, প্রতিটি দাবি মজুরি বোর্ডকে বিবেচনা করতে হবে। ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিকে বিবেচনা করে নতুন মজুরি ঘোষণা করে জানুয়ারির মধ্যেই নতুন মজুরি দিতে হবে।”
দেশের বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকদের ওপর চালানো নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির এই নেত্রী বলেন, “শুধু তা–ই নয়, বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ শ্রমিকেরাও গ্রেপ্তার হয়েছেন।” গ্রেপ্তার হওয়া শ্রমিকনেতাদের দ্রুত মুক্তির দাবি জানান তিনি।
বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহীম চৌধুরী পুরো সমাবেশের সঞ্চালনা করেন। এছাড়া এই কর্মসূচিতে বক্তব্য প্রদান করেন বহুমুখী শ্রমজীবী ও হকার সমিতির সভাপতি বাচ্চু ভূঁইয়া, গণসংহতি আন্দোলনের ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় সম্পাদক জুলহাসনাইন বাবু এবং ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সৈকত আরিফসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।