যশোরের অভয়নগরে এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের এক অভিযোগ উঠেছে ওই বিদ্যালয়েরই এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের টয়লেটে নিয়ে গিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। তবে পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেওয়ায় তাকে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক রয়েছেন।

অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম মো. ইমরান। তিনি অভয়নগর উপজেলার বুইকারা গ্রামের বাসিন্দা এবং প্রেমবাগ ইউনিয়নের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।

ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালীন শিক্ষক ইমরান কৌশলে শিশুটিকে বিদ্যালয়ের টয়লেটে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) শিশুটির মা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন।

ঘটনার কথা জানতে পেরে মঙ্গলবার বিকেলে ইউএনও শেখ সালাউদ্দীন দিপু শিশুটির বাড়িতে যান। সেখান থেকে অসুস্থ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন তিনি। ইউএনও জানান, প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ধর্ষণের আলামত পাওয়ার কথা জানিয়েছে। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোরে পাঠানো হয়।

অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এবং ভুক্তভোগী শিশুর বাড়িতে গিয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক ইমরানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার প্রস্তুতি চলছে। তাকে দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।