দুই দিন আগে বাংলাদেশ যেভাবে পরাজিত হয়েছিল, প্রায় একই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি এবার দেখা গেল জিম্বাবুয়ের ক্ষেত্রে। শারজায় অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে জিম্বাবুয়েকে ১৬৯ রানেই গুটিয়ে দিয়ে সহজ রান তাড়ায় মাত্র ৩ উইকেট হারিয়েই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে গেছে আফগানিস্তান।

এর আগে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বাংলাদেশকে ১৬০ রানে আটকে দিয়েও আফগানরা জিতেছিল ৭ উইকেটে। সে দিন তাওহিদ হৃদয়দের বিপক্ষে রান তাড়া করতে লেগেছিল ৩৫.৩ বল, তবে আজ সিকান্দার রাজাদের বিপক্ষে লক্ষ্য অর্জনে সময় লেগেছে ৩৪.৩ ওভার।

শারজায় ২০০৩ সালের পর প্রথমবার কোনো ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল ম্যাচে রাজত্ব করেছেন আফগান বোলাররা। রশিদ খান ৩ উইকেট শিকার করে জিম্বাবুয়ের ইনিংসের গতি পুরোপুরি থামিয়ে দেন। এছাড়া ফজলহক ফারুকি, বিলাল সামি ও মোহাম্মদ নবী নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। জিম্বাবুয়ের পক্ষে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ছাড়া আর কেউ বড় কোনো ইনিংস খেলতে সক্ষম হননি। তিনি তিনটি চার ও তিনটি ছক্কার সাহায্যে ৮৩ বলে ৬৮ রান করেন।

রান তাড়ায় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন রহমানউল্লাহ গুরবাজ। ৩৬ রান করে তিনি আউট হওয়ার পর ইব্রাহিম জাদরান ও রহমত শাহ মিলে জয়ের পথ সহজ করে দেন। রহমত শাহ ৪৩ রান করে আউট হলেও ইব্রাহিম জাদরান ৭০ রানে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত হাশমতউল্লাহ শহিদির করা একটি চার শটের মাধ্যমে আফগানিস্তানের জয় নিশ্চিত হয়।

পুরো ত্রিদেশীয় সিরিজে আফগানিস্তানই ছিল সবচেয়ে ধারাবাহিক দল। লিগ পর্বে জিম্বাবুয়ে ও বাংলাদেশ—উভয় দলকেই পরাজিত করেছিল তারা। অন্যদিকে জিম্বাবুয়ে জিতেছিল কেবল বাংলাদেশের বিপক্ষে। আর বাংলাদেশ এই সিরিজের দুটি ম্যাচেই হেরেছে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
জিম্বাবুয়ে: ৪৩.৩ ওভার ১৬৯ (সিকান্দার রাজা ৬৮, রায়ান বার্ল ৩১; রশিদ খান ৩/৪১, নবী ২/২৫)।
আফগানিস্তান: ৩৪.৩ ওভারে ১৭০/৩ (ইব্রাহিম জাদরান ৭০*, রহমত শাহ ৪৩, রহমানউল্লাহ গুরবাজ ৩৬)।
ফল: আফগানিস্তান ৭ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ইব্রাহিম জাদরান।