এশিয়ান গেমসের টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অভিষেকের পর এবার ওয়ানডে ক্রিকেটেও পা রাখলেন বাংলাদেশের রহস্য স্পিনার আলিস আল ইসলাম। গতকাল শারজায় অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক ঘটে তাঁর। তবে জাতীয় দলের হয়ে দুই ভিন্ন ফরম্যাটে অভিষেকের এই আনন্দঘন মুহূর্তের মাঝেই নেমে এল দুঃসংবাদ। সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ আসায় এখন আইসিসির নির্ধারিত কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে হবে এই ক্রিকেটারকে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) জানিয়েছে, আমিরাতের ত্রিদেশীয় সিরিজে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে ম্যাচ কর্মকর্তাদের প্রতিবেদনে ২৯ বছর বয়সী এই বোলারের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।
আইসিসির অবৈধ বোলিং অ্যাকশন সংক্রান্ত বিধিমালা অনুযায়ী, এখন আইসিসির স্বীকৃত পরীক্ষাকেন্দ্রে আলিসের বোলিং অ্যাকশনের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে। যদি পরীক্ষায় তাঁর অ্যাকশন অবৈধ প্রমাণিত হয়, তবে আলিসের বোলিং সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হবে। এরপর অ্যাকশন সংশোধন করে পুনর্মূল্যায়নে উত্তীর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বোলিং করার সুযোগ পাবেন না।
উল্লেখ্য যে, আলিসের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে বিতর্ক এবার প্রথমবার সামনে আসেনি। এর আগে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) দুইবার তাঁর বোলিং পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। ২০১৯ সালের বিপিএলে নিজের অভিষেক ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করেছিলেন আলিস। তবে সেই ম্যাচের পরপরই তাঁর বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। পরবর্তীতে ওই বছরের অক্টোবরে বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষা দিয়ে ছাড়পত্র পান তিনি।
গত বছরের বিপিএল চলাকালীন সময়েও আলিসের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে পুনরায় প্রশ্ন ওঠে। তবে সেবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) তত্ত্বাবধানে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দিয়ে সফলভাবে পাস করেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিয়মিত হয়ে ওঠার পর আবারও প্রশ্নবিদ্ধ হলো আলিসের বোলিং অ্যাকশন।