শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটির সময়ে প্রি-পেইড গ্রাহকদের পর্যাপ্ত পরিমাণে টাকা রিচার্জ করার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি পিএলসি (ডেসকো)। শনিবার (১৭ অক্টোবর) প্রতিষ্ঠানটি এক জরুরি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই বার্তা প্রদান করেছে।

ডেসকো কর্তৃপক্ষ তাদের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে যে, দুর্গাপূজার ছুটির দিনগুলোতে গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই অনুরোধ জানানো হয়েছে। যাতে ছুটির সময়ে ব্যালেন্স শেষ হয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন না হয়, সেজন্য প্রি-পেইড গ্রাহকদের আগেভাগেই প্রয়োজনীয় রিচার্জ সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। এছাড়া যেকোনো ধরনের সমস্যা বা প্রয়োজনে গ্রাহকদের ১৬১২০ অথবা ১৬৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং জবাবদিহিতা আরও জোরদার করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে বিমানবন্দরে ৩২টি সিসিটিভি ক্যামেরা এবং ১৮টি বড় মনিটর স্থাপন করা হয়েছে।

নতুন এই প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার ফলে যাত্রীরা এখন থেকে বিমান থেকে লাগেজ নামানো থেকে শুরু করে তা বেল্টে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপের কার্যক্রম সরাসরি দেখতে পারবেন। শনিবার বিকেলে বেবিচকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ কাউসার মাহমুদ জানান, এই প্রকল্পের আওতায় বিমানবন্দরের আটটি লাগেজ বেল্ট এলাকায় মোট ৩২টি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। সেই সঙ্গে ৬৫ ইঞ্চি আকারের ১৮টি মনিটর স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের দৃশ্যগুলো সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

মুহাম্মদ কাউসার মাহমুদ বলেন, ‘নতুন ব্যবস্থায় উড়োজাহাজ থেকে লাগেজ নামানো, নির্ধারিত স্থানে পরিবহন, বাছাই এবং লাগেজ বেল্টে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন যাত্রীরা। এতে লাগেজ কোথায় রয়েছে এবং কীভাবে তা বেল্টে পৌঁছাচ্ছে, সে সম্পর্কে যাত্রীরা আরও স্পষ্ট ধারণা পাবেন বলে আশা করছে বেবিচক।’

তিনি আরও জানান, ‘বিমানবন্দরে লাগেজ পেতে বিলম্ব, লাগেজের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে যাত্রীদের উদ্বেগ কমানোর পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়াতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম দৃশ্যমান হওয়ায় লাগেজ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা ও জবাবদিহি বৃদ্ধিতেও এটি ভূমিকা রাখবে।’

বেবিচক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীদের স্বার্থ রক্ষা এবং নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তারা প্রযুক্তিনির্ভর ও যাত্রীবান্ধব সেবা সম্প্রসারণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে প্রবাসী এবং দেশি-বিদেশি যাত্রীরা যাতে ভ্রমণ শেষে কোনো ঝামেলা ছাড়াই নির্বিঘ্নে নিজেদের লাগেজ সংগ্রহ করতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই ব্যবস্থাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করছে বেবিচক।