রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে বাণিজ্যিক ও আবাসিক স্থাপত্যের সংজ্ঞায় নতুন মাত্রা যোগ করছে র্যাংগস প্রপার্টিজ। প্রতিষ্ঠানটি তাদের আধুনিক নির্মাণ শৈলীর মাধ্যমে শহরের নাগরিক জীবনযাত্রায় এক অনন্য পরিবর্তন আনছে। বর্তমানে তাদের চলমান আর কে স্কয়ার বাণিজ্যিক টাওয়ার এবং আসন্ন মোনার্ক বিলাসবহুল আবাসন প্রকল্প দুটি এই পরিবর্তনের অন্যতম উদাহরণ।
গুলশান সাউথ অ্যাভিনিউয়ের প্লট ১৩, ব্লক সিডব্লিউএস (সি)-এ নির্মাণ কাজ চলছে আর কে স্কয়ার। র্যাংগস প্রপার্টিজের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্পটির মোট জমির পরিমাণ ১৮ দশমিক ৯৪ কাঠা। ভবনটি ৫টি বেজমেন্ট, গ্রাউন্ড ফ্লোর এবং ২৫ তলা বিশিষ্ট একটি আধুনিক স্থাপত্য। ভবনের ভেতরে যাতায়াতের জন্য রাখা হয়েছে ছয়টি লিফট এবং প্রতিটি ইউনিটের আয়তন ৩,৮৪২ থেকে ৩,৯৯৭ বর্গফুটের মধ্যে রাখা হয়েছে। ব্যবহারকারীদের সর্বোচ্চ স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে অত্যাধুনিক ব্যবসাকেন্দ্র, জিম, ইনফিনিটি পুল এবং ফুড কোর্ট। এছাড়া এখানে স্বয়ংক্রিয় পার্কিং ব্যবস্থা, বিভিন্ন স্তরে স্কাইডেক এবং শব্দ ও তাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য ডাবল-গ্লেজড জানালার বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, গুলশান অ্যাভিনিউয়ের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ১৯ তলার হস্তান্তরিত কমার্শিয়াল টাওয়ার ‘জেড স্কয়ার’ নিখুঁত পরিকল্পনা ও গুণগত মান বজায় রেখে নির্মাণ করা হয়েছে। এটি কেবল একটি আর্কিটেকচারাল ল্যান্ডমার্ক নয়, বরং কমার্শিয়াল স্পেস ইনভেস্টমেন্টের ক্ষেত্রে অনন্য স্থাপনা। ফলে এই প্রকল্পে বিনিয়োগের ভালো মূল্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রকল্পটি গুলশান অ্যাভিনিউয়ের মূল বাণিজ্যিক এলাকায় হওয়ায় শুরু থেকেই এটি বহুজাতিক করপোরেট অফিস এবং প্রিমিয়াম রিটেইল ব্র্যান্ডগুলোর বেশ পছন্দ। ফলে এর মূল্য এবং ভাড়া বেশ আকর্ষণীয় ও স্থিতিশীল।