নোয়াখালী–২ আসনে (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ীর আংশিক) বিএনপির বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। কাজী মফিজুর রহমানের অভিযোগ, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির স্থানীয় নেতা–কর্মীরা জড়িত। আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়নের ভোরের বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

কাজী মফিজুর রহমান বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য। এর আগে তিনি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানও ছিলেন। নোয়াখালী–২ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন তিনি। তবে তাঁকে মনোনয়ন না দেওয়ায় তিনি দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। এরপর তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

কাজী মফিজুর রহমান মুক্তকণ্ঠকে জানান, আজ বেলা ১১টার দিকে ভোরের বাজারে গণসংযোগ ও পথসভা করেন তিনি। পথসভা শেষে বাজার ত্যাগ করার সঙ্গে সঙ্গেই সেখানে থাকা তাঁর নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা হয়। বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় কিছু নেতা–কর্মী লাঠিসোঁটা নিয়ে কার্যালয়ে থাকা লোকজনের ওপর হামলা ও আসবাব ভাঙচুর করেছেন। হামলাকারীদের লাঠির আঘাতে তাঁর তিন কর্মী আহত হয়েছেন।

কাপ–পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান বলেন, ধানের শীষ প্রতীকের নেতা–কর্মীদের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন অব্যাহত থাকায় এলাকায় নির্বাচনী পরিবেশ অবনতির দিকে যাচ্ছে। হামলার বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক। স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে বিএনপির নেতা–কর্মীদের হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কোথায়, কিসের হামলা হয়েছে, আমি জানি না। আমি খোঁজ নিয়ে পরে জানাব।’

সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মুক্তকণ্ঠকে বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের পথসভার পর ভোরের বাজারে তাঁর নির্বাচনী কার্যালয়ে বিএনপির নেতা–কর্মীরা হামলা চালিয়েছেন। এতে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে কয়েকটি চেয়ার ভাঙচুর করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অভিযোগের আলোকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।