২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির মাইগ্রেশন বা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের ফলাফল শনিবার রাতে প্রকাশিত হয়েছে। এর মাধ্যমে ভর্তির নিশ্চয়ন প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছে। সব মিলিয়ে কলেজ ও মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছে ৮ লাখ ৫৩ হাজার ৪৪১ জন শিক্ষার্থী।
চলতি বছর কলেজ ও মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণিতে মোট ভর্তিযোগ্য আসন ছিল ২৬ লাখ ১ হাজার ৭৭৯টি। এর বিপরীতে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা মোট আসনের মাত্র ৩৩ শতাংশ। ফলে প্রায় ৬৭ শতাংশ আসন এখনো খালি রয়েছে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপের ভর্তি ও ক্লাস শুরুর পর আরও এক দফায় আবেদনের সুযোগ দেওয়া হবে। তবে বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকার আশঙ্কা রয়ে গেছে। কারণ, কারিগরিসহ ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন, যার মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৪৪ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। উল্লেখ্য, কারিগরি বোর্ডের অধীনে ভর্তির প্রক্রিয়া আলাদাভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেছিল ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩০ জন। তাঁদের মধ্যে নির্বাচিত হয়েছিল ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন। তবে নির্বাচিত সবাই নিশ্চয়ন না করায় চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি।
এদিকে, মাইগ্রেশনের মাধ্যমে ৫৫ হাজার ৮০৪ জন শিক্ষার্থী তাদের কলেজ বা মাদ্রাসা পরিবর্তন করেছে। এর ফলে কোনো শিক্ষার্থী না পাওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪১৬টি থেকে বেড়ে ৫৫৭টিতে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানে আবেদন করা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত কোনো শিক্ষার্থী চূড়ান্তভাবে বরাদ্দ পায়নি।
আগামীকাল রোববার থেকে মঙ্গলবার (২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত প্রথম ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম চলবে। এরপর ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।
উল্লেখ্য, এবারও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন নিয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া চালানো হয়েছে। কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থীদের ফলাফল, পছন্দক্রম এবং কোটা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিষ্ঠান নির্ধারণ করা হয়েছে।