দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবান পেসার ও স্পিনারদের খুঁজে বের করতে আবারও শুরু হচ্ছে ‘রবি বোলার হান্ট’। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও মোবাইল অপারেটর রবির যৌথ উদ্যোগে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে এই প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রম শুরু হবে।
আগের আয়োজনগুলোর তুলনায় এবার কার্যক্রমের পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে। এবার পুরুষদের পাশাপাশি নারী ক্রিকেটাররাও এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন। এছাড়া শুধু পেসার নয়, স্পিনারদের জন্যও নিজেদের সামর্থ্য প্রদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
বিসিবি ও রবির এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে এর আগে জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছেন বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। ২০১৬ সালের ‘রবি ফাস্ট বোলার হান্টে’ নজর কেড়েছিলেন ইবাদত হোসেন। ট্রায়ালে ঘণ্টায় ১৩৯.৯ কিলোমিটার গতিতে বল করে তিনি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং পরবর্তীতে জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ পান। পরের বছর স্পিনার খোঁজার কার্যক্রম থেকে উঠে আসেন রিশাদ হোসেন, যিনি বর্তমানে বাংলাদেশের সাদা বলের ক্রিকেটে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লেগ স্পিনার। আগের এই সাফল্যগুলোর ধারাবাহিকতায় এবার নতুন করে প্রতিভা খোঁজার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক বাছাই প্রক্রিয়া দেশের আটটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকায় দুটি ভেন্যুর পাশাপাশি সিলেট, খুলনা, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রামে ট্রায়াল আয়োজন করা হবে। তবে বরিশাল অঞ্চলের আগ্রহীদের বাছাই প্রক্রিয়া চলবে খুলনায়।
বোলার বাছাইয়ের দায়িত্বে থাকবেন হাই পারফরম্যান্স দলের প্রধান কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, পাকিস্তানের সাবেক লেগ স্পিনার মুশতাক আহমেদ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক পেসার কোরি কলিমোর। এছাড়া জাতীয় দলের বিদেশি কোচদেরও বিভিন্ন পর্যায়ে এই কার্যক্রমে যুক্ত থাকার কথা রয়েছে।
প্রাথমিক বাছাইয়ে জায়গা পাওয়া মানেই চূড়ান্ত সুযোগ নয়। নির্বাচিত বোলারদের বিসিবির তত্ত্বাবধানে বিশেষ প্রশিক্ষণ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যার আওতায় আনা হবে। এর মূল লক্ষ্য হলো ভবিষ্যতে জাতীয় দল ও বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের জন্য প্রয়োজনীয় বোলিং প্রতিভার একটি শক্তিশালী পাইপলাইন তৈরি করা।
আগ্রহী প্রতিযোগীরা ‘মাই রবি’ অ্যাপের মাধ্যমে বিনামূল্যে নিবন্ধন করতে পারবেন।