সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বড়দল গ্রামে দুপুরের খাবার খেয়ে একই পরিবারের পাঁচ সদস্য গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরিবারের সদস্যদের দাবি, খাবারের সঙ্গে পটকা মাছ (টিপা মাছ) খাওয়ার পরপরই তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এই ঘটনায় মুদি ব্যবসায়ী মো. আজহারুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত আজহারুল ইসলাম বড়দল গ্রামের মৃত মজিদ গাজীর ছেলে এবং স্থানীয় বাজারের একজন মুদি ব্যবসায়ী ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের সদস্যদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাজার থেকে কেনা পটকা মাছ রান্না করে খাওয়ার পর পরিবারের পাঁচজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। গুরুতর অসুস্থ আজহারুল ইসলামকে দ্রুত সাতক্ষীরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে দাবি করেছে পরিবার।

বর্তমানে আজহারুল ইসলামের স্ত্রী, মা, ছেলে ও মেয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী শরিফুজ্জামান শরীফ জানান, বাজার থেকে কেনা পটকা মাছ খাওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে, যার ফলে একজনের মৃত্যু হয় এবং বাকিরা হাসপাতালে ভর্তি হন।

আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নীতিশ চন্দ্র গোলদার বলেন, "পটকা মাছ খেলে বিষক্রিয়া হতে পারে। এ ধরনের মাছ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে মানুষকে নিরুৎসাহিত করা হয়।" তবে বড়দলের এই নির্দিষ্ট ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি এখনো অবগত নন এবং বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান।

এদিকে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু জানিয়েছেন, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন এবং বর্তমানে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।