সাভারের আমিনবাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলতাব হোসেনকে (৫৮) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় তদন্তকালে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মাধ্যমে এই হত্যা মামলায় মোট ১২ জনকে আটক করা হলো।

আটককৃতরা হলেন মামলার প্রধান আসামি বরদেশী পশ্চিমপাড়া এলাকার জহুরুল (৩২), আলাউদ্দিন (২৬), আপন (৩০), জিহাদ (২০), ইমরান (২৬), রুদ্র (২৬) ও রাকিব (২৫)। এ ছাড়া সন্দেহভাজন হিসেবে ছাব্বির আহমেদ (২৪), মো. ওয়াসিম (৪০), বিল্লাল হোসেন (৩০), দেলোয়ার (২৭) ও রাব্বিকে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. জাকির আল আহসান মুক্তকণ্ঠকে বলেন, "আজ ৯ আসামির ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। গতকাল প্রধান আসামি জহুরুলকে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছিল, আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। বিল্লাল ও দেলোয়ারের বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল। আদালত শুনানি না করে তাঁদের কারাগারে পাঠান।"

গত শনিবার রাতে আমিনবাজারের বড়দেশী মদিনা সিটি এলাকার একটি গেঞ্জির কারখানায় ঢুকে পুলিশ কর্মকর্তা আলতাব হোসেন ও তাঁর ছেলে আরিফুল ইসলামকে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক আলতাব হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর ছেলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় নিহত আলতাব হোসেনের স্ত্রী শিউলি বেগম বাদী হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে সাভার মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

নিহত মো. আলতাব হোসেন এসবির ঢাকার মালিবাগ কার্যালয়ে উপপরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার রূপনাই গাছপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পরিবার নিয়ে তিনি আমিনবাজারের বড়দেশি মদিনা সিটি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল আলম মুক্তকণ্ঠকে বলেন, "বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ইতিমধ্যে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। নিরীহ কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখা হয়েছে।"