মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর জালিয়াতির অভিযোগে পাঁচটি মাদ্রাসার আট শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ বা শোকজ জারি করেছে। নোটিশে সংশ্লিষ্টদের বেতন-ভাতা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, তাদের বেতন-ভাতা স্থায়ীভাবে বন্ধ না করার বিষয়েও নোটিশে মতামত চাওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে জাল স্বাক্ষর ও জাল চিঠি প্রস্তুতের পাশাপাশি ভুয়া নিয়োগ বোর্ড গঠন করে ফলাফল শিট প্রণয়নের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া, মৃত শিক্ষকদের ব্যাংক হিসাব ও ইনডেক্স নম্বর ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শোকজপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলাধীন নিজবলাইল ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম, ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলাধীন মো. ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন এবং কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলাধীন সোনারীপাড়া মীম ছীন বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. ইস্কেন্দার মির্জা।
এ ছাড়া নওগাঁর আত্রাই উপজেলাধীন মস্কিপুর দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. আফতাব উদ্দীন, সহকারী মৌলভি মো. জহরুল ইসলাম ও মো. আখতার হোসেন এবং মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলাধীন হাড়াভাঙ্গা ডি এইচ ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রাজ্জাক ও সহকারী মৌলভি শামছিয়া খাতুনও শোকজের আওতায় পড়েছেন।