ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী আন্তঃনগর ‘কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ক্যানটিনে চলন্ত অবস্থায় ৪৪ বছর বয়সি এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ট্রেনের ক্যানটিন বয় আবু বক্কর সিদ্দিককে (২২) গ্রেপ্তার করেছে সান্তাহার রেলওয়ে থানা পুলিশ। ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করেছেন, ঘটনার সময় দুই পুলিশ সদস্যসহ আরও কয়েকজন জড়িত ছিলেন।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে আদমদীঘির সান্তাহার রেলওয়ে থানার আওতাধীন নাটোর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে গ্রেপ্তার আবু বক্কর সিদ্দিককে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর গ্রামের মৃত মাসুদ রানার ছেলে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকালে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী ট্রেনে যাত্রা করছিলেন ওই নারী। চলন্ত ট্রেনের ক্যানটিনে নিয়ে আবু বক্কর সিদ্দিকসহ কয়েকজন তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। ভুক্তভোগীর চিৎকারে সচেতন যাত্রীরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং আবু বক্কর সিদ্দিককে আটক করে স্থানীয় পুলিশের কাছে তুলে দেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলায় মোট পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। আসামি তালিকায় দুই পুলিশ সদস্যের নামও রয়েছে। তবে মামলায় পুলিশ সদস্যদের নাম থাকার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সান্তাহার রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল উদ্দীন তথ্য দিতে গড়িমসি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে ওসি দুলাল উদ্দীন জানান, ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ অনুযায়ী ঘটনার সাথে পুলিশ সদস্যও জড়িত থাকতে পারেন; বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের পর আবু বক্কর সিদ্দিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য অভিযুক্তদের সম্পৃক্ততার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি.