পেশাদার দক্ষতা বৃদ্ধিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ব্যবহারিক কৌশল নিয়ে ‘পেশাজীবীদের জন্য এআই’ শিরোনামে একটি বই প্রকাশিত হয়েছে। উপাত্ত-নির্ভর ডিজিটাল বিপণনকারী, প্রশিক্ষক, পরামর্শক ও উদ্যোক্তা শামীম হুসাইন রচিত এই বইটি প্রকাশ করেছে প্রতিভাষা প্রকাশন। ৩৪৮ পৃষ্ঠার এই বইটির প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন কাজী যুবাইর মাহমুদ এবং এর মুদ্রিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৮০০ টাকা।
প্রতিবেদন, ই-মেইল, উপস্থাপনা, গবেষণা ও বিষয়বস্তু তৈরির মতো নিত্যদিনের কাজে সময় সাশ্রয় ও কার্যকারিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে বইটি রচিত হয়েছে। চ্যাটজিপিটি, ক্লড ও জেমিনির মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সফটওয়্যার বাস্তব কাজে ব্যবহারের কৌশল, প্রয়োজনীয় প্রম্পট ও উদাহরণ বইয়ে তুলে ধরা হয়েছে। এ ছাড়াও পেশাভিত্তিক ব্যবহারিক নির্দেশনা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক স্বয়ংক্রিয়করণ এবং ৪০০-এর বেশি প্রস্তুত প্রম্পট সংগ্রহ রয়েছে এতে। লেখকের ভাষ্য অনুযায়ী, বইটি শুধু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শেখার জন্য নয়, বরং তা দিয়ে বাস্তব কাজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। চাকরিজীবী, উদ্যোক্তা, শিক্ষক, মুক্ত পেশাজীবী (ফ্রিল্যান্সার), বিপণনকারী, ব্যাংকার, চিকিৎসক, আইনজীবী ও শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে বইটির বিষয়বস্তু সাজানো হয়েছে।
বইটির লেখক শামীম হুসাইন ঝিনাইদহের শৈলকুপায় জন্মগ্রহণ করেন। কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রকৌশল বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে তিনি একটি বহুজাতিক সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১১ বছর সফটওয়্যার উন্নয়ন প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করেছেন। পরে করপোরেট চাকরি ছেড়ে স্কিলআপার প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে তরুণদের ডিজিটাল দক্ষতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইংরেজি যোগাযোগ ও মুক্ত পেশায় দক্ষ করে বৈশ্বিক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে কাজ করছেন তিনি। গুগল বিজ্ঞাপন, মেটা বিজ্ঞাপন, ডিজিটাল বিশ্লেষণ, সিআরও, নিউরোমার্কেটিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত বিপণন স্বয়ংক্রিয়করণ নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে শামীম হুসাইনের। এক দশকের বেশি সময় ধরে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল প্রবৃদ্ধিতে কাজ করার পাশাপাশি পেশাজীবী, উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন তিনি, স্কিলআপারের মাধ্যমে।
বইটি বর্তমানে দেশের প্রধান বইয়ের দোকানগুলো এবং রকমারি, প্রথমা ডটকম, ওয়াফিলাইফসহ অনলাইন বইয়ের দোকানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে।