শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে রাতের আঁধারে তিনটি ঘোড়া জবাই করে মাংস কাটার সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। বিষয়টি জানাজানি হলেই অভিযুক্তরা মাংস ফেলে পালিয়ে গেলেও পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে জবাই করা মাংস এবং তিনটি জীবিত ঘোড়া উদ্ধার করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দিবাগত রাতে উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের পশ্চিম ভালুকা এলাকার ফুলহারি নামক স্থানে, ফরহাদের বাড়ির পেছনে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ফুলহারি এলাকায় একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রি করছে। গত রাতেও ওই চক্রের সদস্যরা সেখানে ঘোড়া জবাই করে মাংস কাটছিলেন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে দ্রুত পালিয়ে যান তারা।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জবাই করা তিনটি ঘোড়ার মাংস জব্দ করে। একই সঙ্গে তিনটি জীবিত ঘোড়াও উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, পশ্চিম ভালুকা গ্রামের গুতামিয়া নামের এক ব্যক্তিসহ একটি শক্তিশালী চক্র ঘোড়াগুলো জবাই করে মাংস পাচারের প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
ঝিনাইগাতী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘোড়ার মাংসের আলামত পায়। পরে নমুনা সংগ্রহের পর বাকি মাংস মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই কারবারিরা কৌশলে পালিয়ে যান। এ ঘটনাটির তদন্ত চলছে।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, বিষয়টি অধিকতর তদন্ত করে কারবারিদের আইনের আওতায় আনা হবে।