চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার সারিকাইত ইউনিয়নে নিখোঁজের পর এক কিশোরীর মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের নাম মোসাম্মৎ আফরিনা বেগম (১৬)। তিনি সারিকাইত ইউনিয়নের অটোরিকশাচালক মো. ইব্রাহিমের মেয়ে এবং স্থানীয় মমতাজুল উলুম মাদ্রাসার ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে সারিকাইত ফুলকাজী তেমাথা এলাকার সুফীর বাড়ির পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে সকাল ৮টা থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
নিহতের ভাই মো. নাহিদ মুক্তকণ্ঠকে জানান, সকাল ৮টা থেকে তার বোন নিখোঁজ ছিলেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে থানায় জিডি করতে গেলে এলাকার কয়েকজন মুরুব্বি রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলেন। পরবর্তীতে সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় এক ব্যক্তি পাশের বাড়ির পুকুরে নামলে ডুবন্ত অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করেন।
ঘটনাটি অত্যন্ত রহস্যজনক দাবি করে নাহিদ আরও বলেন, লাশ উদ্ধারের পর তার পেটে কোনো পানিই পাওয়া যায়নি, চোখ-মুখও ছিল স্বাভাবিক। তার বোন সাঁতার জানত এবং কোনো শারীরিক ব্যাধিও ছিল না। তবে মরদেহ উদ্ধারের পর তার মায়ের কাছে দুই নারী এসে বলেছেন, পুলিশ এলে যেন বলা হয় তার মৃগী রোগ ছিল। তিনি এটিকে অস্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে দেখছেন এবং নিশ্চিত যে এটি পানিতে ডুবে দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু নয়। তবে পরিবারের সঙ্গে কারও শত্রুতা না থাকায় কাউকে সরাসরি সন্দেহ করতে পারছেন না।
সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন হাওলাদার জানান, নিহতের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।