পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেছেন, নেপালের ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দেশটির সরকার ও জনগণের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করছেন। এই দুর্যোগে নেপালের প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো ধরনের সহযোগিতা দিতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানালের সঙ্গে ফোনালাপ হয় খলিলুর রহমানের। ফোনালাপ তিনি নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে এই আশ্বাস দেন। এ সময় খলিলুর রহমানের বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানান। আজ দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নেপালের ঘটনাটিকে ভয়াবহ ‘ট্র্যাজেডি’ হিসেবে উল্লেখ করেন খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, প্রিয়জন হারানো পরিবারগুলোর জন্য বাংলাদেশের মানুষের চিন্তা ও প্রার্থনা রয়েছে।

.নেপাল–তিব্বতে মৃত্যু বেড়ে ১৭৭, নিখোঁজ হাজারের বেশি .নেপালে হঠাৎ এই দুর্যোগ কেন, কী বলছেন বিজ্ঞানী-বিশেষজ্ঞরা.

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে এমন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তথ্য পাওয়া গেলে তা বাংলাদেশকে জানাতে নেপাল সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন খলিলুর রহমান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সংহতি প্রকাশের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, নেপালের কর্তৃপক্ষ এখনো ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করছে। পরিস্থিতির পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নের পর নির্দিষ্ট কোনো সহায়তার প্রয়োজন হলে তাঁরা বাংলাদেশকে জানাবে।

.৫,২০০ মিটার উঁচুতে হিমবাহধস, আধা ঘণ্টায় নদীর পানি ৩০ ফুট বেড়েই কি নেপালে এ দুর্যোগ.

নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত শোকবার্তাও পৌঁছে দেন খলিলুর রহমান।

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে গতকাল বুধবারের ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ১৭৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নেপাল ও তিব্বতে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৫০০ জন নিখোঁজ রয়েছে। এর মধ্যে ৮০০ জনের বেশি বিদেশি পর্যটক।

.নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোক.নেপালে ত্রাণ–উদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তার জন্য প্রস্তুত বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়