নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পৃথক পৃথক তিনটি ঘটনায় এক দিনে দাউদুল ইসলাম, তামান্না আক্তার এবং শিশু হামিম নামের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে চরজব্বার থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
নিহতদের মধ্যে দাউদুল ইসলাম (৩০) বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের স্থানীয় কাঞ্চন বাজার শাখার কর্মী ছিলেন। তিনি ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের এলাহীগঞ্জ গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। এছাড়া নিহত তামান্না আক্তার (২৩) চরজব্বার ইউনিয়নের জাহাজমারা গ্রামের গৃহবধূ এবং তিন বছর বয়সি শিশু হামিম চরআমান উল্যাহ ইউনিয়নের নয়া পাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে দাউদুল ইসলামের ঝুলন্ত মরদেহ তার কক্ষ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। অন্যদিকে, গৃহবধূ তামান্না আক্তার নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দিলে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার পথে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় তার মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।
অন্যদিকে, চরআমান উল্যাহ ইউনিয়নের নয়া পাড়া গ্রামে বসতবাড়ির পুকুরে ডুবে শিশু হামিমের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।
এই বিষয়ে চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান জানান, "ব্র্যাককর্মী দাউদুল ও গৃহবধূ তামান্নার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পারিবারিক কলহের জেরে এ দুটি ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় পৃথক অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশুটির মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।"