বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে ডিবিএল গ্রুপসহ বেশ কিছু তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে—সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম, অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ভুল বলে অভিহিত করেছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

সোমবার (৩ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিজিএমইএ জানায়, এ ধরনের ভুল তথ্য সংশ্লিষ্ট মহলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে, যা দেশের পোশাক শিল্পের স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও সরকারের সহযোগিতায় সদস্যভুক্ত কারখানাগুলো সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে এখনো ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ উৎপাদন কার্যক্রম সচল রেখেছে।

সংগঠনটি আরও স্পষ্ট করেছে যে, আগামী ৫ আগস্টের সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির সমন্বয়ের কারণে অনেক কারখানায় বৃহস্পতিবার ছুটি দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে শ্রম আইন অনুযায়ী এই ছুটির সমন্বয় করা হবে। গ্যাস সংকটের সময়ে এ ধরনের সমন্বয় শিল্পের স্বাভাবিক ও নিয়মিত কার্যপ্রণালির অংশ এবং এর সঙ্গে কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানানো হয়।

বিজিএমইএর মহাসচিব মেজর জেনারেল (অব.) ড. মো. সাহেদুল ইসলাম বলেন, "যাচাই-বাছাই ছাড়া কারখানা বন্ধের মতো স্পর্শকাতর সংবাদ প্রকাশ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রেতা এবং অংশীদারদের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় উদ্বেগ ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। এতে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের অর্জিত সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি এ খাতের ওপর নির্ভরশীল লাখো শ্রমিকের কর্মসংস্থানও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।"

দেশের অর্থনীতির প্রধান রপ্তানি খাত হিসেবে তৈরি পোশাক শিল্পের স্বার্থ রক্ষায় বস্তুনিষ্ঠ ও যাচাইকৃত তথ্য প্রকাশে গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিজিএমইএ।