হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহমেদ রিংগনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় আরও ১০০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) রাতে মামলাটি করা হয়।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, বুধবার রাত ৮টার দিকে বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল পুলিশ সুপারের কাছে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ জমা দেন। হবিগঞ্জ জেলা যুবসক্তির আহব্বায়ক তন্ময় তাহির রুবেল বাদী হয়ে এই অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ বাহুবল থানাকে প্রদান করেন।
এর আগে বুধবার দুপুরে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউস থেকে ১৪৪ ধারা জারি থাকা অবস্থায় গাড়িবহর নিয়ে হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হন নাহিদ ইসলাম। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শায়েস্তাগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সড়কের ‘চা-কন্যা’ ভাস্কর্য এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে এনসিপির গাড়িবহরের গতি রোধ করে। এই সময় পুলিশের সঙ্গে দলের কেন্দ্রীয় নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সারোয়ার আলমসহ নেতাকর্মীদের বাক্বিতণ্ডা হয়।
পরবর্তীতে পুলিশ ও এনসিপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। তবে নেতাকর্মীরা পুলিশের বাধা অতিক্রম করে গাড়িবহর নিয়ে সামনে এগিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর বাহুবল উপজেলার রশিদপুর গ্যাস ফিল্ড এলাকায় আবারও পুলিশের বাধার মুখে পড়ে গাড়িবহর। এই পরিস্থিতিতে নাহিদ ইসলামসহ নেতাকর্মীরা গাড়ি থেকে নেমে সড়কে অবস্থান নেন।
দীর্ঘ আলোচনার পর পুলিশ এনসিপির নেতাদের কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার অনুমতি দেয়। এরপর প্রতিনিধি দলটি সেখানে গিয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দেয়।