ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের সভা চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের বাইরে ‘সিন্ডিকেট ঘেরাও’ কর্মসূচি পালন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নেতারা। ‘শিক্ষার্থীবান্ধব স্বচ্ছ সিট নীতিমালা প্রণয়নের’ দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ডাকসু নেতারা সিনেট ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে শুরু করেন। পরবর্তীতে সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটের দিকে সিন্ডিকেট সভা চলাকালীন তাঁরা কনফারেন্স রুমের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এসময় বিক্ষোভকারীরা ‘স্বচ্ছ নীতিমালা, দিতে হবে দিয়ে যাও’, ‘গণরুমের পাঁয়তারা, রুখে দেবে ছাত্ররা’, ‘আবাসনে রিঅ্যাড, গণরুমের রোডম্যাপ’, ‘গেস্টরুমের পায়তারা, রুখে দেবে ছাত্ররা’ এবং ‘সে নো, গণরুম’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

উক্ত কর্মসূচিতে ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ, সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদসহ বিভিন্ন হল সংসদের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সন্ধ্যা সাতটার দিকে শাহবাগ থানায় তাঁদের ওপর হওয়া হামলার ঘটনা নিয়ে সহকারী প্রক্টর এনামুল হক সজীব, রেজাউল করিম সোহাগ এবং শান্টু বড়ুয়ার সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ান ডাকসু নেতারা। এ প্রসঙ্গে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের বলেন, ‘আমরা চেয়েছি, অত্যন্ত নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মাধ্যমে শাহবাগের হামলার ঘটনা সুরাহা করতে। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তারাও কিন্তু সেই আগের মতোই সেই ছাত্রসংগঠনের মতোই তাদের মতোই একই যেন আচরণ তারা করতেছে। আমরা চাইলে শাহবাগে পাল্টা হামলা করতে পারতাম। কিন্তু আমরা ক্যাম্পাসের শান্তি–শৃঙ্খলা নষ্ট হবে, এই চিন্তা করে হামলা করি নাই।’