আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে ২ জন সাংবাদিক এবং ২৫ জন নাট্যব্যক্তিত্ব ও অভিনয়শিল্পীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে উসকানি দেওয়ার লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম নামের একটি সংগঠন আজ রোববার এই অভিযোগ জমা দেয়।
অভিযুক্ত সাংবাদিকদের তালিকায় রয়েছেন আনিস আলমগীর ও সোমা ইসলাম। অন্যদিকে, অভিনয় পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত ২৫ জনের মধ্যে রয়েছেন কারাবন্দী সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এবং সাবেক সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ। এছাড়া অভিযোগের তালিকায় অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, চিত্রনায়ক রিয়াজ আহমেদ, অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস, শমী কায়সার ও রোকেয়া প্রাচীর নাম রয়েছে।
তালিকায় আরও অন্তর্ভুক্ত আছেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও নিপুণ আক্তার, অভিনেত্রী তানভীন সুইটি, নাট্যব্যক্তিত্ব হৃদি হক, অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি, অভিনেতা সাজু খাদেম, অভিনেত্রী সোহানা সাবা, মডেল ও আইনজীবী পিয়া জান্নাতুল, অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি, অভিনেত্রী আশনা হাবীব ভাবনা, চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক, অভিনেত্রী সুজাতা আজিম, চিত্রনায়ক জায়েদ খান, অভিনেতা আজিজুল হাকিম, অভিনেতা চন্দন রেজা, মডেল মারিয়া কিসপট্টা, শান্তা ফারজানা মোবিন মেহেদী ও অভিনেতা হিরো আলম।
চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস। তিনি অভিযোগ করেন, এই ২৭ জন ব্যক্তি জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে প্ররোচনা, সহযোগিতা ও উসকানি দিয়েছেন। এই বিষয়ে একটি নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও আইনানুগ তদন্ত দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম মুক্তকণ্ঠকে বলেন, "আমি এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তবে অভিযোগের ভেতরে কী আছে, তা আমি এখনো দেখিনি। অভিযোগটি আমরা তদন্ত সংস্থায় পাঠাব। তদন্ত সংস্থা বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।"