অনেকেই মনে করেন জোরে ব্রাশ করলে দাঁত বেশি পরিষ্কার হয়, এটা মোটেও সত্য নয়। দাঁত মাজা মানে দাঁতের সঙ্গে যুদ্ধ করা নয়। এতে দাঁতের এনামেল বা বাইরের সুরক্ষাস্তর ক্ষয়ে যেতে পারে। সময়ের সঙ্গে দাঁতকে ‘সেনসিটিভ’ বা দুর্বল করে দিতে পারে।
কোমল পানীয়, এনার্জি ড্রিংক, চা, কফি, ফলের রস, আইসক্রিম ও মিষ্টিজাতীয় বিভিন্ন খাবার দাঁতের এনামেলের ক্ষতি করে। এ ধরনের খাবার নিয়মিত খেতে থাকলে এনামেল ক্রমে দুর্বল হতে পারে। তাই প্রতিবার চা, কফি বা অ্যাসিডিক খাবার খাওয়ার পর মুখ ভালো করে কুলি করে নিন।
ঠান্ডা-গরম পানীয়, কফি বা অ্যালকোহল বেশি খেলে শরীর স্বাভাবিকভাবেই পানি কম পায়। ফলে থুতু কম তৈরি হয়। থুতু মুখের ভেতরের অ্যাসিডিক খাবারকে নিরপেক্ষ করে ও এনামেলকে সুরক্ষা দেয়। থুতু কম তৈরি হলে তাই দাঁত দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেমন জুস, বেকিং সোডা বা অ্যাকটিভেটেড চারকোল দিয়ে হোয়াইটেনিং বা দাঁত সাদা করার পদ্ধতিগুলোর মিলিয়ন ভিউ। সেসব অনেকেই অনুসরণ করে দাঁত সাদা করেন ঠিকই, তবে এতে এনামেল ক্ষয়ে দাঁত সেনসিটিভ ও দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
সকালে দাঁত ব্রাশ করার থেকেও রাতে ব্রাশ করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। রাতে ঘুমানোর আগে আর সকালে ঘুম থেকে উঠে—এই দুই বেলা দাঁত মাজায় কোনো হেলাফেলা করবেন না। অনেক টুথপেস্ট শুধু ফ্রেশিং বা দাঁত সাদা করাকে গুরুত্ব দেয়। কিন্তু ‘এনামেল-প্রটেকশন ফরমুলেশন’ ছাড়া দাঁত নিরাপদে রাখা কঠিন।
সূত্র: ভেরি ওয়েল হেলথ






