দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে শাবলের আঘাতে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার স্বজনপুকুর বুন্দিপাড়া গ্রামে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করেছে ফুলবাড়ী থানা পুলিশ।
আটক ব্যক্তির নাম মানিক হোসেন (৩৫), তিনি ফুলবাড়ী উপজেলার পূর্ব গৌরী পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। নিহত কুলসুম আক্তার (৩০) একই উপজেলার স্বজনপুকুর বন্দিপাড়া গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে।
পুলিশ ও পরিবারের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, বিয়ের পর থেকেই কুলসুম তার বাবার বাড়িতে থাকতেন এবং মানিক ঘরজামাই হিসেবে শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করতেন। তাঁদের সংসারে তিন সন্তান রয়েছে। মানিক কোনো পেশায় নিয়োজিত ছিলেন না, যা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। সোমবার রাতে খাবার শেষ করার পর এক ঘরে ঘুমানো নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ভোর পৌনে চারটার দিকে মানিক শাবল দিয়ে স্ত্রীর মাথায় আঘাত করেন। এরপর শাবলের ধারালো অংশ দিয়ে কুলসুমের বুকে আঘাত করা হলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। সন্তানদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে মানিককে বেঁধে ফেলেন এবং পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে এবং মানিককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
ঘটনা প্রসঙ্গে ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল লতিফ শাহ বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। নিহত গৃহবধূর স্বামীকে আটক করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে কুলসুমের মা বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মানিককে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।






