মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে যাত্রীবাহী একটি চলন্ত বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তবে আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে সব যাত্রী নিরাপদে বাস থেকে নেমে যাওয়ায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। গতকাল সোমবার রাত ১১টা ৮ মিনিটের দিকে এক্সপ্রেসওয়ের কুচিয়ামোড়া সেতুর ওপর এ ঘটনা ঘটে।
মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, গুলিস্তান থেকে ছেড়ে আসা বাসটিতে সিরাজদিখান, শ্রীনগর ও লৌহজং উপজেলার ৩০ থেকে ৩৫ জন যাত্রী ছিলেন। রাত ১১টার দিকে বাসটি কুচিয়ামোড়া সেতুর ওপর পৌঁছালে ইঞ্জিনের অংশ থেকে ধোঁয়া ও আগুন বের হতে শুরু করে। পরে চালক বাসটি এক্সপ্রেসওয়ের পাশে থামিয়ে যাত্রীদের দ্রুত নামিয়ে দেন। এরপর ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়।
মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলেন, গতকাল রাত ১১টা ৮ মিনিটে মুঠোফোনে সিরাজদিখান ফায়ার স্টেশনে বাসে আগুন লাগার খবর আসে। খবর পেয়ে স্টেশনের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বল্প সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে সম্পূর্ণ নির্বাপণ করে। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে বাসের সব যাত্রী নিরাপদে নেমে যেতে সক্ষম হন। ফলে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর যাত্রীদের বিভিন্ন যানবাহনে করে নিরাপদে গন্তব্যে পাঠানো হয়। ঘটনার প্রায় আধা ঘণ্টা পর ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এই কর্মকর্তা বলেন, ফায়ার সার্ভিসের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তবে বাসটিতে অগ্নিনির্বাপণযন্ত্র থাকলে চালক প্রাথমিক পর্যায়েই আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে পারতেন। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে প্রতিটি গণপরিবহনে অগ্নিনির্বাপণযন্ত্র রাখা প্রয়োজন।






