বলিউড অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠীর ভাই বিজয়েন্দ্রনাথ ত্রিপাঠীর ওপর বিহারের গোপালগঞ্জে প্রাণঘাতী হামলা হয়েছে। ঘটনার পর পঙ্কজ ত্রিপাঠী পাটনায় পৌঁছেছেন। ভাইয়ের ওপর হওয়া এই হামলায় অভিনেতা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন বলে জানা গেছে।
বলিউড অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠীর পরিবারকে ঘিরে এক চাঞ্চল্যকর খবর সামনে এসেছে। পঙ্কজের দাদা বিজয়েন্দ্রনাথ ত্রিপাঠীর ওপর নির্মমভাবে হামলা করা হয়েছে। এই হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন বিজয়েন্দ্র। এরপর তাঁকে চিকিৎসার জন্য পাটনায় রেফার করা হয়। ভাইয়ের অবস্থার খবর পেয়েই পঙ্কজও পাটনায় পৌঁছে যান।
.মানসিক চাপে পঙ্কজ
ব্যবস্থাপক সূত্রে জানা গেছে, পঙ্কজ ত্রিপাঠী এই মুহূর্তে অত্যন্ত মানসিক চাপে রয়েছেন এবং কারও সঙ্গে কথা বলার অবস্থায় নেই। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, বিজয়েন্দ্রনাথের শরীরে একাধিক আঘাত থাকলেও বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল এবং তিনি আশঙ্কামুক্ত বলে জানানো হয়েছে। সূত্রের দাবি, পঙ্কজ নিয়মিত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং হাসপাতালে ভাইয়ের দেখভাল করছেন।
জমি-সংক্রান্ত বিবাদ
স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তাদের মতে, রোববার গভীর রাতে গোপালগঞ্জ জেলার বেলসন্ড তিওয়ারি টোলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এই হামলা হয়েছে। বিজয়েন্দ্রনাথ ত্রিপাঠী রাতের খাবার খাওয়ার পর বাড়ির বাইরে হাঁটাহাঁটি করছিলেন। সেই সময় অভিযুক্ত রাজেশ সাহ তাঁর ওপর হামলা চালান। অভিযুক্ত লাঠি-ডান্ডা এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করেন। হামলায় বিজয়েন্দ্রনাথ গুরুতর জখম হন। প্রথমে তাঁকে গোপালগঞ্জ মডেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে পাটনার একটি বড় হাসপাতালে রেফার করা হয়।
রাজেশ সাহ গ্রেপ্তার
গোপালগঞ্জ পুলিশ এই হামলার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত রাজেশ সাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের জারি করা প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অভিযুক্তকে কড়াভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তকারী সংস্থা খতিয়ে দেখছে, এই হামলার ঘটনায় আর কারা জড়িত ছিল। পুলিশের সন্দেহ, অভিযুক্তের সঙ্গে মিরহট্টি এবং আশপাশের গ্রামের আরও কয়েকজন অপরাধীর যোগ থাকতে পারে। বর্তমানে পুলিশ পুরো ঘটনার গভীরে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। গোপালগঞ্জের এসপি বিনয় তিওয়ারি জানিয়েছেন, অভিযুক্তকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হচ্ছে। তবে এখনো পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।






