পাহাড়ের বুকে লুকিয়ে আছে কত শত সুপ্ত প্রতিভা, যার অনন্য এক দৃষ্টান্ত বান্দরবানের খুদে ফুটবলার ডনসাতি ত্রিপুরা। আন্তর্জাতিক মানের ফুটবলার হয়ে দেশের নাম উজ্জ্বল করাই এখন তার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। ডনসাতি ত্রিপুরা ২০২৬ সালে বান্দরবানের কচ্ছপতলী আলোর পাঠশালায় ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়। বিদ্যালয়ে পা রাখার পর থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি তার অদম্য আগ্রহ শিক্ষকমণ্ডলীর নজর কাড়ে। কাবাডি, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলায় নিয়মিত অংশ নিলেও ফুটবলের প্রতি তার টান সবচেয়ে বেশি। মাঠের ডিফেন্স বা রক্ষণভাগে সে চমৎকার নৈপুণ্য প্রদর্শন করে। ডনসাতির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো, সে বাম ও ডান—উভয় পায়েই সমান দক্ষতার সাথে ফুটবল খেলতে পারে।
সম্প্রতি ২০২৬ সালের 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস'-এ বান্দরবান জেলা পর্যায়ের একটি ম্যাচে অংশ নিয়ে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখে ডনসাতি। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ওপর ভর করে কচ্ছপতলী আলোর পাঠশালা শক্তিশালী আলীকদম উপজেলা দলকে পরাজিত করতে সক্ষম হয়। যদিও পরবর্তী ম্যাচে তাদের দল হেরে যায়, কিন্তু এই হার ডনসাতির অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে দমাতে পারেনি।
আন্তর্জাতিক স্তরে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন বুকে নিয়ে ডনসাতি প্রতিদিন বিকেলে নিয়ম করে ফুটবল অনুশীলনে নেমে পড়ে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের এই লড়াকু ফুটবলারকে সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা ও উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়া হলে, সে ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ফুটবলকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে স্থানীয়রা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।






