পুলিশ কর্মকর্তারা জাতীয় জরুরি সেবার সক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন চারটি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন গঠন, শিল্পপুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, সিআইডি, ডিএমপি ও সিএমপির কাঠামোগত সংস্কারসহ জনবল ও সক্ষমতা বাড়ানোর বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়েছেন।

পুলিশ সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বৈঠকে এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। গতকাল সোমবার রাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা মুক্তকণ্ঠকে এ বিষয়ে জানিয়েছেন।

জাতীয় জরুরি সেবার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক মহিউল ইসলাম বলেন, ‘৯৯৯’–এ এখন একসঙ্গে ১০০ কল গ্রহণ করতে পারে। জনসংখ্যা বাড়ছে। তাই জরুরি ভিত্তিতে অন্তত আরও ১০০ কল গ্রহণের সক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব দেন তিনি।

পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক মাহবুবুল করিম শিল্প পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, সিআইডি, ডিএমপি ও সিএমপির সাংগঠনিক কাঠামো সংস্কার করে জনবল বাড়ানোর প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট ডিএমপি। প্রায় তিন কোটি মানুষের নিরাপত্তায় জনবল রয়েছে ৩৪ হাজার ৩১০ জন। ডিএমপির জন্য আরও ৬ হাজার ৫২৪ জন জনবল নিয়োগের প্রস্তাব দেন এই কর্মকর্তা।

শিল্প পুলিশের জন্য ২ হাজার ৩৭টি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করেন মাহবুবুল করিম। প্রতিটি বিভাগীয় শহরে ডিজিটাল ল্যাব, ফরেনসিক ও ডিএনএ ল্যাব স্থাপন দরকার বলে জানান তিনি।

বৈঠকে আরও চারটি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলেন, দেশে সাতটি বিভাগে এখন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের ইউনিট রয়েছে।

পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, খুশি করার জন্য অনেক প্রতিশ্রুতি তিনি দেবেন না। বাস্তবসম্মত দাবিগুলো তিনি পর্যায়ক্রমে পূরণ করার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, জাতীয় জরুরি সেবার সক্ষমতা বাড়িয়ে একসঙ্গে যাতে ২০০ কল গ্রহণ করা যায়, সেটা করা হবে। ঢাকা বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের জন্য ৮০০ জনবল নিয়োগ ও তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।