শরীয়তপুরের জাজিরায় পদ্মা সেতু প্রকল্পের পুনর্বাসন ও সামাজিক বনায়ন এলাকায় বিরল প্রজাতির চারটি হনুমান দেখা যাচ্ছে। প্রায় দুই বছর ধরে তারা এই এলাকার বিভিন্ন গাছে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

স্থানীয়দের মতে, পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তে বিভিন্ন অবকাঠামোর সঙ্গে পূর্ব নাওডোবা এলাকায় সেতু কর্তৃপক্ষ সামাজিক বনায়ন করেছে। সেখানে কয়েক হাজার গাছ রোপণ করা হয়েছে। একইভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য বিভিন্ন স্থানে পুনর্বাসন এলাকা তৈরি করা হয়েছে। এই বনায়ন ও পুনর্বাসন এলাকাতেই হনুমানগুলোকে ঘুরঘুর করতে দেখা যায়।

হনুমানগুলোর গায়ের রঙ ধূসর। মুখ, হাত-পা কালো এবং লম্বা লেজ আছে। তারা গাছের পাতা ও ফল খায়। অনেক সময় স্থানীয়রা তাদের রুটি, বিস্কুট ও মুড়ি খেতে দেয়। সকাল ও বিকেলে তারা দলবদ্ধভাবে বা একা গাছের ডালে বসে থাকে। তবে এখনো মানুষের ওপর কোনো আক্রমণের ঘটনা ঘটেনি।

পূর্ব নাওডোবা এলাকার বাসিন্দা রহিম বাদশা বলেন, ‘দুই বছর ধরে এ এলাকায় হনুমানগুলো দেখছি। প্রথমে দুটি হনুমান আমাদের নজরে এসেছে। এরপর আরও দুটি হনুমান দেখছি। এখন ৪টি হনুমান এলাকায় আছে।’

পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন খান বলেন, সামাজিক বনায়নের কারণে এলাকাটিকে নিরাপদ আশ্রয় মনে করে হনুমানগুলো সেখানে অবস্থান করছে।

শরীয়তপুর সামাজিক বনায়ন-নার্সারি ও প্রশিক্ষণকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবীবুর রহমান বলেন, ‘ওই স্থানে হনুমান আছে, তার তথ্য আমার কাছে নেই। আমি খোঁজ নিয়ে দেখব। এরপর তাদের নিরাপদে ওই বনে থাকার ও খাদ্য সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’