দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অবদান রাখার জন্য বরেণ্য অভিনেতা আলমগীর পেয়েছেন ‘মেরিল-মুক্তকণ্ঠ আজীবন সম্মাননা’।
আলমগীরের হাতে পুরস্কার ও ৩ লাখ টাকার চেক তুলে দেন রুনা লায়লা। আলমগীরকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন স্কয়ার টয়লেট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী। এ সময় মঞ্চে ছিলেন মুক্তকণ্ঠের সম্পাদক মতিউর রহমান।
আজীবন সম্মাননার অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আফজাল হোসেন।
আজীবন সম্মাননা পাওয়ার পর চিত্রনায়ক এম এ আলমগীর মাইক্রোফোন হাতে বলেন, ‘আমি সত্যিই এর প্রাপ্য কি না, আমি জানি না। আমার ছোটভাই (অভিনেতা আফজাল হোসেন) মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেছে, আমি অভিনয় করে তৃপ্তি পাইনি। আমার বিশ্বাস আফজালেরও তাই, অভিনয় করে কি তৃপ্তি পাওয়া যায়? পাওয়া যায় না। অভিনয়ের যে গভীরতা, এর শেষ এক জনমে খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়। খুঁজে পেতে হলে শত জনম নিতে হবে। আমরা তো একটা জনমই পেয়েছি। শেষ কখনো দেখে যেতে পারব না।’
আলমগীর মঞ্চে উঠার পর দর্শককেরা দাঁড়িয়ে তাঁকে সম্মান জানান। আলমগীর বলেন, ‘মঞ্চে আসার পর আপনারা যেভাবে দাঁড়িয়ে সম্মান জানিয়েছেন, এটা আমার নিজের চোখে দেখলাম এবং নিজের কানে শুনলাম। এটাকে আমি অন্তরে ধারণ করব মৃত্যু পর্যন্ত।’
দেশের সংস্কৃতি ও বিনোদন অঙ্গনের প্রধান ও আকর্ষণীয় আয়োজন ‘মেরিল-মুক্তকণ্ঠ পুরস্কার ২০২৫’-এর আয়োজন চলছে এখন রাজধানীর বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নবীন, প্রবীণ ও খ্যাতিমান সব তারকার পাশাপাশি আমন্ত্রিত অতিথিরা। বড় পর্দায় দেখানো হয় আলমগীরের জীবন ও কর্ম নিয়ে তৈরি তথ্যচিত্র।সম্মাননার জন্য নাম ঘোষণার পর আলমগীর মঞ্চে আসেন। এ সময় মিলনায়তনভর্তি দর্শক স্বতঃস্ফূর্তভাবে দাঁড়িয়ে তাঁকে শ্রদ্ধা জানান। আজীবন সম্মাননা হিসেবে তিনি পান উত্তরীয়, ক্রেস্ট ও চেক।






