আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময় রোগের প্রকোপ বাড়ে, বিশেষ করে মৌসুম বদলের প্রথম দুই সপ্তাহে। এর কারণ আমরা সাধারণত প্রস্তুতি নিই না।
তাপমাত্রার ওঠানামা, বাতাসের আর্দ্রতা ও চাপের পরিবর্তন মিউকাস মেমব্রেনের প্রতিরোধক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ফলে ভাইরাস শরীরে সহজেই প্রবেশ করে এবং ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া রুটিন, খাবার ও ঘুমের অভ্যাস বদলালে সমস্যা আরও তীব্র হতে পারে।
গরমকালে দ্রুত অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু, বয়স্ক ও অন্তঃসত্ত্বা। এছাড়া হাঁপানি বা ডায়াবেটিস রোগী এবং রোগপ্রতিরোধক্ষমতা কম যাদের, তাদেরও বিশেষ সতর্কতা দরকার।
ক্লান্তি, বারবার হাঁচি, ত্বকের শুষ্কতা, মাথাব্যথা, অনিদ্রা, গলাব্যথা, পেটের সমস্যা বা কাজে অনীহা দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সমস্যা তীব্র আকার ধারণ করার আগেই এটি করা উচিত।
আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করুন:
১. বাড়িতে রান্না করা স্বাস্থ্যকর খাবার খান।
২. ভিটামিন সি, ভিটামিন এ সমৃদ্ধ মৌসুমি ফল ও শাকসবজি গ্রহণ করুন।
৩. ভিটামিন ডি নিন।
৪. জিংকসমৃদ্ধ খাবার খান।
এছাড়া ভেষজ গুণসমৃদ্ধ হারবাল চা, আদা, হলুদ, রসুন সেবন করতে পারেন। প্রতিদিন ব্যায়াম বা ত্রিশ মিনিট হাঁটা, প্রচুর পানি পান এবং সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুম অত্যন্ত জরুরি।
আবহাওয়া অনুকূলে পোশাক পরুন। হাত ধোয়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা মেনে চলুন, মাস্ক ব্যবহার করুন এবং প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন নিন। হাঁপানির রোগীদের পোষা প্রাণীর লোম এড়াতে মাস্ক পরতে হবে, ঘরে কার্পেট রাখা এড়িয়ে চলুন এবং বিছানার কভার নিয়মিত বদলান।






