আইপিএলের ডেথ ওভারে একজন ব্যাটসম্যান সর্বোচ্চ কত রান করতে পারে? এর আগে এই সীমা ছিল ৬০ রান। ২০২০ সালে বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের লোকেশ রাহুল এই রান করেছিলেন। কিন্তু গতকাল চেন্নাইয়ের বিপক্ষে বেঙ্গালুরুর হয়ে অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান টিম ডেভিড সেই রেকর্ড ভেঙে ৬৮ রান করে ফেললেন শেষ চার ওভারে।
ইনিংসের ১৭ থেকে ২০ নম্বর ওভারে সবাই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে, তবে প্রতিপক্ষও সেরা বোলারদের নামায়। ডেভিড ১৫তম ওভারে ব্যাটিংয়ে নামেন এবং প্রথম দুই ওভারে পাঁচ বলে মাত্র ২ রান করেন। কিন্তু ১৭তম ওভারে নুর আহমেদকে টানা তিন ছক্কা মেরে তিনি হাত খুলে দেন। ১৯তম ওভারে জেমি ওভারটনের ওভার থেকে তিন ছক্কাসহ ৩০ রান নিয়ে শেষ বলে চার মেরে মাঠ ছেড়ে যান। ফলে ২৫ বলে ৭০ রান, যার ৬৮ ডেথ ওভার থেকে। টি-টুয়েন্টিতে এর চেয়ে বড় ডেথ ওভার ইনিংস মাত্র তিনটি।
২০১২ সালে কাউন্টি ক্রিকেটে গ্লুস্টারশায়ারের বিপক্ষে সাসেক্সের স্কট স্টাইরিস ৭৩ রান করেছিলেন। ২০২৪ সালে গাম্বিয়ার বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা ৭০ রান এবং ২০১৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ক্রিকেটে ডলফিন-টাইটানস ম্যাচে ডেভিড মিলার ৬৯ রান করেছিলেন। এবার আইপিএলে ডেভিড তৃতীয় স্থানে。
১৫তম ওভার থেকে ব্যাটিংয়ে এর চেয়ে বড় ইনিংস মাত্র একটি—২০২২ সালের ভাইটালিটি ব্লাস্টে সাসেক্সের বিপক্ষে এসেক্সের ড্যানিয়েল স্যামসের ২৪ বলে ৭১ রান। ডেভিডের ৭০* রানে ছিল ৮টি ছক্কা ও ২টি চার। ৩০ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যানের আইপিএল ক্যারিয়ারে ছক্কা ৬৯টি, চার ৫৮টি। এবারের আইপিএলে ৩৫ বলে ৯ ছক্কা.
এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে চেন্নাইকে ৪৩ রানে হারিয়ে বেঙ্গালুরু জয়ী হয়। অধিনায়ক রজত পতিদারও ১৯ বলে ৬ ছক্কায় ৪৮* রান করেন এবং ম্যাচের পর বলেন, “সে (ডেভিড) যেভাবে মারে, তার ধারেকাছেও যদি আমি মারতে পারতাম!” দর্শকরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসা জানিয়ে লিখেছেন, ‘নামে ডেভিড, কাজে গোলিয়াথ’।






