‘রাক্ষস’ ছবিতে অভিনয় করে বাংলাদেশের সিনেমায় নাম লিখিয়েছেন ওপার বাংলার অভিনেত্রী সুস্মিতা চ্যাটার্জী। নতুন পরিবেশ, সহকর্মী ও দেশে শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি মুক্তকণ্ঠের সঙ্গে কথা বলেছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রেজওয়ান সিদ্দিকী।
‘রাক্ষস’ ছবির কোন দিকটি আপনাকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করেছে?
সুস্মিতা চ্যাটার্জী: প্রথমত, গল্পটি। চরিত্রটিও আমার কাছে খুবই বিশেষ মনে হয়েছে।
গ্ল্যামার ছাপিয়ে অভিনয়ের সুযোগ কতটা ছিল?
সুস্মিতা চ্যাটার্জী: ছবির নাম ‘রাক্ষস’ হলেও আমি রাক্ষসী নই। আমার চরিত্রে বেশ কয়েকটি শেড রয়েছে। অভিনয়ের প্রচুর সুযোগ পেয়েছি।
ছবিতে এমন কোনো বিশেষ দৃশ্য আছে, যা করার পর দীর্ঘক্ষণ তার ছাপ থেকে মুক্তি পাননি?
সুস্মিতা চ্যাটার্জী: অনেক ইমোশনাল দৃশ্য রয়েছে। সেগুলো থেকে বের হতে সময় লেগেছে। এখনো পুরোপুরি বেরিয়ে যাইনি। ‘রাক্ষস’ পুরোপুরি আমার মধ্যেই আছে। এটাকে আমি উপভোগ করছি।
সিয়াম আহমেদের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
সুস্মিতা চ্যাটার্জী: সিয়াম খুব হেল্পফুল। খুব ভালো বন্ধু। সেই সঙ্গে দারুণ অভিনেতা। আমরা মিলেমিশে কাজ করেছি। আমাদের মধ্যে ভাইবস ম্যাচ করে। অভিনয়শিল্পীদের মাঝে এই রসায়ন দরকার। আশা করি, ভবিষ্যতেও অনেক কাজ করতে পারব।
শুটিংয়ে ঢালিউড ও টালিউডের মধ্যে কোনো পার্থক্য লক্ষ্য করেছেন?
সুস্মিতা চ্যাটার্জী: তেমন কোনো পার্থক্য পাইনি। বাংলাদেশের মানুষ অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন। কলকাতার মানুষও আমাকে ভালোবাসেন। সবাই ভীষণ কর্তব্যপরায়ণ। নিজের কাজ ঠিকঠাক করেন।
এখন থেকে নিয়মিত ঢালিউডে কাজ করবেন?
সুস্মিতা চ্যাটার্জী: অবশ্যই বাংলাদেশে সিনেমায় আরও অনেক কাজ করতে চাই। এটা আমার বাংলাদেশে প্রথম সিনেমা। সে কারণে ছবিটি আমার কাছে ভীষণ বিশেষ।
বাংলাদেশের খাবার কি ভালো লেগেছে?
সুস্মিতা চ্যাটার্জী: বাংলাদেশের খাবার অসাধারণ। সবচেয়ে যেটা আমার বেশি প্রিয়, সেটা হচ্ছে কাচ্চি বিরিয়ানি। ওখানকার মাছ ভাজা খেতে খুব ভালোবাসি। ইলিশ আমার ভীষণ প্রিয়।
বাংলাদেশের দর্শকদের উদ্দেশে কিছু বলতে চান?
সুস্মিতা চ্যাটার্জী: শুনতে ক্লিশে মনে হবে, তবে মন থেকে বলছি, সত্যি আমার কখনো মনে হয়নি, অন্য একটা দেশে কাজ করছি। সব সময় মনে হয়েছে, নিজের বাড়িতেই আছি। আর বাংলাদেশের মানুষের কাছে অনুরোধ করব, ঈদের পরেও রাক্ষস–এর জন্য আলাদা সময় রাখবেন। আর কেমন লাগল, জানাবেন। এটা একটা পাওয়ার–প্যাক সিনেমা। খুব পরিশ্রম করে শুটিং করেছি আমরা। আপনারা সিনেমা হলে গেলেই আমাদের পরিশ্রম সার্থক হবে।






